বর্তমানে বাংলাদেশে শীতকাল চলছে । এসময় পিঠা উৎসব হয়ে থাকবে। শুধু উৎসবে না প্রতি ঘরে ঘরে এসময় পিঠা করা হয়। পিঠা খাওয়ানোর দাওয়াত দেয়া হয়। পিঠা খুবই আনন্দের সাথে তৈরি করা হয়। অন্যান্য সময়ে পিঠা এতটা খাওয়া হয়না। কিন্তু এই শীতকালে পিঠা খেতে খুব সুন্দর লাগে। গরম গরম পিঠা শীতের আবহাওয়ার মধ্যে সত্যিই অন্যরকম। এসময় বিভিন্ন পিঠার দোকান বসে। যার ফলে তাদের জীবিকা হয়ে থাকে।
আমার আম্মু খুব সুন্দর পিঠা বানাতে পারে। আমরা প্রতিবছরই পিঠা খেয়ে থাকি বিভিন্ন সময়ে। শীতকালে এর পরিমাণ বেড়ে যায়। কিছুদিন পূর্বে আমার আম্মু পিঠা তৈরি করেছিল। মূলত আমার জন্যই। আমি ঢাকায় চলে যাব পড়াশোনার জন্য। আবার কবে এসব পাবো তার ঠিক নেই। তাই এই আয়োজন। আমার ভাইয়া,ভাবী না থাকায় বেশি পিঠা তৈরি করা হয়নি। আজ আমি সেই সব পিঠাই আপনাদের সাথে তুলে ধরব। সেসব পিঠা সম্পর্কে একটু বলব। তো শুরু করা যাক।
আমি এই ছবিটি তুলেছেন আমি যখন কেবল তেল পিঠা বানানো হচ্ছে। মূলত একটু বেশি করে বানানো হয়েছিল কারণ এসব পিঠা জামাইদের বাড়িতে পাঠানো হয়।আমার ফুফাতো বোনের স্বামী অর্থাৎ দুলাভাই উনি পিঠা খেতে খুব পছন্দ করে, তাদের জন্যও কিছুটা বানানো হয়েছিল।
এগুলো মূলত চিনির তেল পিঠা। গুড় দিয়ে তেল পিঠা তৈরি করা যায় । আমার চিনির চেয়ে গুড়ের তেল পিঠা বেশি ভালো লাগে। কবিতাগুলো বাড়িতে আমার উপর খুবই সুন্দর লাগতেছিলো।
এটা বানাতে প্রথমে চিতই পিঠা বানাতে হয়। চিতই পিঠা খাওয়া যায় । আমি চিতই পিঠে খেতে খুব পছন্দ করি। চিতই পিঠা সরিষা ভর্তা, ধনিয়াপাতা ভর্তা,শুটকি ভর্তা দিয়ে খেতে খুবই ভালো লাগে।
এটা বাড়ানোর সময়ে আমি দুই-তিনটা চিতই পিঠা খেয়ে ছিলাম।
পরে সেসব চিতই পিঠা দুধে ভিজিয়ে রাখা হয় ৫-৬ ঘন্টা। এরপর তৈরি হয়ে যায় চিতই দুধ পিঠা।
চিতই পিঠা বানাতে খরচ খুবই কম পড়ে থাকে। এবং এটি খেতে খুব সুস্বাদু। আপনারা চাইলে ইউটিউব থেকে দেখে চিতই পিঠা রান্না করতে পারবেন খুবই সহজে। চিতই পিঠা সরিষা ভর্তা, ধনিয়াপাতা ভর্তা,শুটকি ভর্তা দিয়ে খেতে খুবই ভালো লাগে।
এটা হল ভাপা পিঠে ,যা গুড় দিয়ে বানানো হয়। গুড় , নারকেল ,আঠা এর মিশ্রণের মাধ্যমে ভাপা পিঠা বানানো হয়। আমার আম্মু দুই প্রকার ভাপা পিঠা বানাতে পারে। একটা হল বাটি বসিয়ে সাইজ ব্যবহার করে। এটা খেতে খুবই সুস্বাদু। কিন্তু অন্য ভাপা পিঠা বানানোর উপায় থেকে এটা বানাতে একটু বেশি সময় লাগে।
এটা নতুন একটি ভাপা পিঠা তৈরীর নিয়ম। কিছুদিন আগেও মানুষ এটা জানত না ।এটা খুবই সহজ এবং সময় সাপেক্ষ। রাইস কুকার এর মাধ্যমে এই ভাপা পিঠাটি তৈরি করা হয় । এটি কেকের মতো হয়ে থাকে। চাকু দিয়ে কেটে খেতে খেতে খেতে হয়। আমার এই ভাপা পিঠাটি সবচেয়ে বেশি প্রিয়। আম্মু প্রায় প্রায়ই এটা তৈরি করে কারণ এটা খুবই স্বল্প সময়ে স্বল্প পরিশ্রমে তৈরি করা যায়।
আজ ছিল এই পর্যন্তই। আমি আমার জীবনের সাথে সম্পর্কিত বিষয় সমূহ লিখতে পছন্দ করি।
এটা মূলত কোন রেসিপি ব্লগ না। কিছুদিন পূর্বে আমি এসব পিঠা খেয়েছিলাম,সেগুলোই আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
ধন্যবাদ সবাইকে।