একটা মন্দ হত না । আর তখন
কেন যেন লক্ষীর মুখটাই
ভাসতে থাকে তার চোখের
সামনে । তবে কি বিষ্ণু
লক্ষীকেই চায় তার ঘরনী হিসবে ?
চাইলেই
বিয়ে করে সংসারী হতে পারে
দুজন.. তিনকুলে বিষ্ণুর কেউ
নেই । একমাত্র
বুড়ো পিসি ছাড়া লক্ষীর ও
কোন পিছুটান নেই । তবু মুখফুটের মনের কথাটা বলার
সাহস পায়না বিষ্ণু। বিয়ের
লক্ষীকে খাওয়াবে কি এ
ভাবনা তাকে শেকল
পড়িয়ে রাখে ।
২....
মন্দিরে ঢুকতেই লাল নীল
আলোতে চোখ জুড়িয়ে গেল
লক্ষীর । মাটির
তৈরী একেকটা মূর্তি কি
অপরুপ
ভাবেইনা সাজানো হয়েছে!
-ঐগুলান
কি সত্যকারের সোনার
গয়না ?! লক্ষীর
চোখে মুখে বিস্ময় ।