পাত্রীর বাবা : তা মেট্রিক ইন্টারে গোল্ডেন ছিলো?
ছেলে : জি না, এ+ ই পাই নাই।
পাত্রীর বাবা : হুম। বিসিএস হইছে?
ছেলে : একবার ফর্ম ফিলআপ করছিলাম, সকালে উইঠা
দেখি দুইটা বাজে।
পাত্রীর বাবা : দুপুর দুইটা তোমার কাছে সকাল?
ছেলে : না মানে ইয়ে।
পাত্রীর বাবা : মাসে ইনকাম কত?
ছেলে : ২০-২৫ টেনেটুনে!
পাত্রীর বাবা : আমার মেয়ের মেকআপ খরচও ২০ এর উপর।
ছেলে : হু, সিমেন্ট বালুর দাম বাড়ছে।
পাত্রীর বাবা : মজা নেও?
ছেলে : না না,কপালের সাথে মজা নেই।
পাত্রীর বাবা : চড়াবা কিসে?
ছেলে : রিকশায় হুডটা ফেলে দিলে হু হু করে বাতাস...
চুল উড়ে... মিষ্টি লাগে দেখতে......
পাত্রীর বাবা : তোমার দাদা কি জীবনানন্দ দাশ?
ছেলে : জি না?
পাত্রীর বাবা : কবিতা দিয়া পেট ভরাবা?
আমার মেয়েকে কোন দিন ঘামতে দেই নি জানো?
ছেলে : ফাউন্ডেশন গলে গলে পড়বে তাই?
পাত্রীর বাবা : এক তোমার যোগ্যতা নাই,দুই তুমি বেয়াদপ।
ছেলে : জি।
পাত্রীর বাবা : বাসায় টিভি ফ্রিজ আছে?
ছেলে : হ্যাঁ। বিশ্বকাপ সামনে, আর্জেন্টিনার খেলা
মিস দেই না আমি।
পাত্রীর বাবা : তুমি আর্জেন্টিনা দলের ফ্যান ?!!!!!!
ছেলে : জি!! কিন্তু আমি নেশাপাতি করি না,
আর হাত দিয়ে কিছু করি না।
পাত্রীর বাবা : আরে ব্যাটা মুনাজাত ধর!! এই আমার মাইয়ারে
ডাক দে। কাজী ডাক হারামজাদারা!!
ছেলে : না মানে, কিসের মুনাজাত আংকেল!!
কাজী কেন!!
পাত্রীর বাবা : আংকেল??? আব্বা ডাক!!
ছেলে : ওকে! আব্বা, কাজী কেন!!
পাত্রীর বাবা : লাস্ট কবে কাপ নিছিলো সেটা ভুলে গিয়ে যে ছেলে পর্যায়ক্রমে হেরে যাওয়া টীমের সমর্থন করেই চলে, সেই ছেলে মানুষ না। সে আমার মেয়েকে কখনোই ছেড়ে যাবে না।
ছেলে : ওকে!
পাত্রীর বাবা : কেমনে পারো বাবা? এত লয়ালটি
এত একনিষ্ঠতা মেইনটেইন করতে।
ছেলে : ইয়ে আংকেল...
পাত্রীর বাবা : ইউ ক্যান কল মি আব্বা!!
ছেলে : আব্বা, এতো সামান্য ফুটবল খেলা!
পাত্রীর বাবা : বালের আলাপ বাদ দেও, কবুল বলো
ছেলে : বেতন? বিসিএস? রিকশা?
পাত্রীর বাবা : আরে ব্যাটা মুনাজাত ধর!! বাকি খরচ আমার!