আমার পরিচিত এক বন্ধু বিয়ে করেছেন। স্ত্রী স্মার্ট উচ্চ শিক্ষিতা, ধনী বাপের কন্যা। আমার বন্ধু যথেষ্ট মেধাবী এবং প্রতিষ্ঠিত।
বিয়ের দুয়েক মাসের মাথায়ই সে বুঝতে পারে তার স্ত্রীর সাথে অন্য এক ছেলের রিলেশন আছে। অনেকভাবে রিলেশন ব্রেকাপ করার চেষ্টা করেও কাজ হচ্ছিলনা। সুযোগ পেলেই গোপনে ঐ ছেলের সাথে আলাপন বা যোগাযোগ করে। অবশেষে স্ত্রীকে তালাক দেন।
স্ত্রীর "আত্মসম্মান"এ আঘাত লাগলো, তার পরিবারের অসম্মান হল! প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য নারীনির্যাতনের মামলা করলেন স্বামী শ্বাশুরি দেবর ননদের নামে। স্বামীও কম না, উল্টো স্বর্ণ-গহনা চুরির মিথ্যা মামলা দিয়েছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে।
ইতিমধ্যে এক বছরের মাথায় আমার উক্ত বন্ধু আরেক মেয়েকে বিয়ে করেন। তার সাবেক স্ত্রীর প্রেমিকাও অন্য এক মেয়েকে বিয়ে করে স্ব-স্ত্রীক আমেরিকা চলে যান।
কয়েক মাসে আগে শপিং মলে আমার বন্ধুর সেই সাবেক স্ত্রীকে দেখেও না দেখার ভান করে মোবাইল টিপতেছিলাম। আমার সামনে এসে নাম ধরে কেমন আছি জিজ্ঞেস করলে হাসি মুখে জবাব দিই। প্রশ্ন করলাম আপনি কেমন আছেন?
মলিন মুখে আক্ষেপ করে জবাব দিল, এই তো আছি। আমি তো এখন দুই কুল হারা, সমাজের কাছে যেন অচ্ছুত আর পরিবারেও যেন ভোজা- বলতে বলতে চোখের পানি টলটল করছে......
মোরালঃ সাম্প্রতিক প্রকাশিত রিপোর্ট মতে শিক্ষিতা, সেটল নারীদের ৭০% পরকীয়ায়ে জড়িয়ে স্বামীকে তালাক দিচ্ছে! জানিনা পরবর্তী জীবনে তারা কত সুখী নাকি ভাবীর মত ভোজা হয়ে যায়!