আজ বিভিন্ন ধরনের কৃষি কাজ করে বাংলার মানুষরা, তাদের বেকারত্ব জীবনটা কাটিয়ে দিচ্ছে।

Words
379
Reading
2 min
Listen
Play
8y

বাংলাদেশে বিপুল জনসংখ্যা বাস করে।কিন্তু জনসংখ্যার তুলনায় এদেশে জমির পরিমাণ কম। অনেক বাংলার সন্তান লেখাপড়া করে বেকারত্ব জীবন নিয়ে বেঁচে আছে। এটা একটা বাংলাদেশের বিরাট সমস্যা। আজ তার সমস্যা এবং প্রতিকার নিয়ে আলোচনা করব।images (6).jpeg
source
অন্যায় আর বেকারত্বের কাছ শিকার হয়ে আজ বাংলার সন্তানরা কৃষি কাজে নিয়োযিত হয়েছেন। এই কৃষি কাজ তাদের মানবসম্পদে পরিণত করেছে। তারা বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল করার জন্য, বাংলাদেশ সরকার কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেন এবং তা বাস্তাবায়ন করার চেষ্টা করেন।গাছ চাষ অর্থ্যাৎ নার্সারি চাষ বেকারদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একদিকে গাছপালা যেমন পরিবেশের বায়ুর নির্মলতা রাখে, অন্য দিকে গাছপালা বিক্রির মাধ্যমে প্রচুর অর্থ দেয়। এই অর্থের মাধ্যে তারা তাদের ভরণপোষনের চাহিদা মেটায়। বিশ্বজুড়ে এই গাছের চাহিদা অনেক। তাই কর্মসংস্থান হিসাবে নার্সারি ব্যাপক অবদান রাখে। এই গাছপালাকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর গাছপালা দিবস পালন করা হয়। শুধু মাএ এ দিবস বাংলাদেশে নয়, সারা বিশ্বে পালন করা হয়। আর আমাদের দেশের সন্তানরা মানবসম্পদে পরিণত হয়।
images (5).jpeg
source
অন্যদিকে মাছ চাষ বাংলাদেশে ব্যাপক ভাবে চাষ করা হয়। আর এই কর্মসংস্থানে যোগ দিয়েছে বাংলার বেকার ছেলেরা। তারা পরিশ্রমের মাধ্যমে অনেক অর্থ উপার্জন করেন। আর বেকারের নাম থেকে তাদের নাম উঠিয়ে নেয়। বাংলাদেশে ব্যাপক ভাবে দেশি এবং বিদেশি মাছ উৎপাদন করা হয়। তার মধ্যে কাতলা,মৃগেল,পুটি, কৈ,শিং ইত্যাদি।আর এ সকল মাছ দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিভিন্ন দেশে মাছ রপ্তানি করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকার কারিগরি শিক্ষার মাধ্যামে মাছ চাষ করার পরামর্শ দেন। কিন্তু বর্তমানে চিংড়ি মাছের উপর জোরদান করেন। কেননা এ সকল চিংড়ি বিদেশে ব্যাপক প্রচারিত।
সুতরা বলা যায়,বেকারত্ব দূরিকরণে এই পেশাটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।তাই আমাদের দেশের সকল বেকারদের এ রকম কাজ করা উচিৎ। আমরা জানি,আমরা দেশের যোগ্য সন্তান কিন্তু পরিস্থিতির কারণে আমরা সবাই শিকার হয়েছি। তাই আমরা বেকারত্ব দুর করার জন্যে এ কাজগুলো করব।
images (7).jpeg
source
সবাই নিজের স্বার্থটা বোঝে। বাংলাদেশে এমন কিছু সন্তান আছে, যাদের দ্বার সকল কাজ সম্ভব।কিন্তু আজ তাদের টাকার অভাবে বেকার হয়ে বেঁচে থাকতে হচ্ছে। কেননা বাংলার মানুষের মধ্যে দূর্নিতী থেকেই যায়। তাই কর্মসংস্থানে যারা যোগ্য,তাদেরকে বাদ দিয়ে একজন অযোগ্য লোককে কাজ দেওয়া হচ্ছে। কেননা এর বিনিময়ে তারা অনেক অর্থ পায়। এটা একটা ঘুষের পরিপন্থী। দিন দিন এটা বেড়েই চলছে। আর শোষিত হচ্ছে বাংলার সেই যোগ্য সন্তান।এভাবেই ধব্বংস হচ্ছে বাংলার মানবসম্পদ। আর পিছিয়ে যাচ্ছে এই দেশ,এই সমাজ।চলুন আমরা আন্দলনের মাধ্যমে এই অন্যায়ের প্রতিরোধ করি এবং দেশকে উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাই। বাংলার মধ্যে আন্দলন ছাড়া কোনো কিছু হয়নি আর হবেও না।

                    সমাপ্ত
আজ বিভিন্ন ধরনের কৃষি কাজ করে বাংলার মানুষরা, তাদের বেকারত্ব জীবনটা... | Ecency