Author of this content has low reputation.

Assha otthoba Nitish: ভালোবাসার প্রতীক ফুল

j44(-1)
Published in
BDCommunity
Words
1430
Reading
7 min
Listen
Play
6y

20200705_112421.jpg

শুভ সকাল

বন্ধুরা সবাই কেমন আছে? মিশর অনেক অনেক ভালো. আমিও ভাল আছি. প্রথমে সবাইকে সকালের ফুলের এবং সূর্যের অভিনন্দন জানিয়ে আজকের টিউন শুরু করার চেষ্টা করছি. সকাল বেলা মন ভালো করার জন্য ফুলের চেয়ে সুন্দর এবং প্রয়োজনীয় সব কিছুই নেই. ফুল হলো ভালোবাসার এক অপরূপ নিদর্শন.যেকোন কাউকে আমন্ত্রণ কিংবা নিমন্ত্রণ কিংবা কাউকে শুভেচ্ছা এবং স্বাগতম জানাতে ফুলের কোন বিকল্প নেই.

বাংলাদেশের গ্রামে গঞ্জে শহরে কিংবা বিশ্বের যেকোন স্থানে আপনি যান না কেন কোন ছাড়া এক মুহূর্ত দুষ্প্রাপ্য কর। ফুল হলো জীবনের চলাচলের একমাত্র নিদর্শন।

আপনি যদি কাউকে প্রেম নিবেদন করতে চান কিংবা কাউকে আপনার মনের কথা বলতে চান তাহলে আপনি অবশ্যই হাতে করে যদি একটি ফুল নিয়ে যান তাহলে হয়তো বা বলার আগেই আপনার সেই ভাষা মুখ দিয়ে বেরিয়ে যাবে আপনার ভাব ভঙ্গি দিনের মধ্যে দিয়ে।

ফুল প্রকৃতির এক অপরূপ সুন্দর এবং অসাধারণ নিদর্শন। প্রকৃতপক্ষে পৃথিবীতে এমন কোনো মানুষ নেই যে ফুলকে ভালোবাসে না।

কোভিদ ভাষায় বলতে গেলে

যে ফুল ভালোবাসে না সে নিশ্চয় মানুষ হত্যা করতে পারে।

কথাটা আসলে কতটুকু যুক্তিপূর্ণ আমি জানিনা। কিংবা এই যুক্তি দেওয়ার মত ক্ষমতা আমার নাই।তবে এটুকু বলতে পারি আমরা মানুষ হিসেবে অবশ্যই ফুল পবিত্রতার প্রতীক হিসেবে নেওয়া উচিত এবং ফুলকি ভালোবাসা উচিত। কেননা ফুল হলো আল্লাহর কাছ থেকে এক বিশেষ ধরনের নিয়ামত। যা শুধুমাত্র পবিত্রতা এবং সৌন্দর্যের নিদর্শন কে বোঝায় না। ওফুলের গন্ধে আমরা হতে প্রাণী অনুপ্রাণিত এবং হতে পারি পবিত্রতার বাহক
20200705_112416.jpg

সৃষ্টিকর্তা আমাদের জন্য পৃথিবীতে যে সকল নেয়ামত পাঠিয়েছেন তার সবগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো একটি ফুল। বাংলাদেশে 12 মাসে ৬ টি ঋতুতার মধ্যে সবথেকে আমার পছন্দের ঋতু হচ্ছে শরৎকাল এবং বর্ষাকাল.কেননা বর্ষাকালে গ্রামে গঞ্জে যখন ডুবা গুলো বিভিন্ন ধরনের নর্দমা এবং পানি যুক্ত হয়ে পড়ে যায় তখন বিভিন্ন ধরনের ফুলের সমারোহ দেখা যায়.

আপনি যে উপরোক্ত ফুলগুলো দেখতে পাচ্ছেন এগুলো আসলে সবগুলোই সংগ্রহ করা হয়েছে গ্রামের ডোবা এবং পুকুর থেকে। আমার শরীরের সামান্য অসুবিধার কারণে আমি আজ অফিসে যাইনি। তাই ছোট একটি ভাইয়ের সাথে ঘুরতে গিয়েছিলাম গাজীপুর শহরের বিভিন্ন আনাছে-কানাছে। আর ছবিগুলো প্রকৃতপক্ষে সেখান থেকে সংগ্রহ করেছিলাম

20200705_112308.jpg

ফুল মানুষের অমূল্য এবং অন্যান্য বস্তু।পবিত্রতার এবং ভালোবাসার একমাত্র নিদর্শন হিসেবে ফুলের কোন বিকল্প নেই।ফুল আমাদের নিত্য এবং প্রতিদিন জীবনের জন্য একটি অনুপ্রেরণামূলক গল্প।
20200705_112245.jpg

ফুলের ধরন

বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ।এই 6 টি ঋতুর বাংলাদেশ বারটি মাসে যে কত প্রকারের ফুল রয়েছে তা হয়তো আপনি নিজেও বলতে পারবেন না।তার পরেও কিছু কিছু কথা থাকে যেগুলো হয়তো বা না বললেই নয়।

আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের ঋতুতে বিভিন্ন ধরনের ফুলের সমারোহ দেখা যায়।
তার মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য ফুলের কথা তুলে ধরা হলো

20200705_112210.jpg

** গোলাপ বেলী জবা হাসনাহেনা শিমুল পদ্ম বকুল পলাশ রজনীগন্ধা চাপা গাধা সূর্যমুখী এবং শরৎকালের প্রধান প্রধান গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কাশফুল

20200705_112156.jpg

গোলাপ

আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের গোলাপ ফুল দেখা যায়। সৌন্দর্য ও লাবণ্যের প্রতীক গোলাপ। এটি একটি শীতকালীন মৌসুমি ফুল। তবে বর্তমানে গোলাপ সারা বছর ধরে চাষ করা হচ্ছে। বর্ণ গন্ধ কমনীয়তা ও সৌন্দর্যের বিচারে গোলাপকে ফুলের রানী বলা হয়। পুষ্প প্রেম এদিকে সবচেয়ে প্রিয় ফুল গোলাপ।এটি বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন জলবায়ুতে খুব সহজেই মানিয়ে নিতে পারে বলে পৃথিবীর সব দেশেই সারাবছর কমবেশি গোলাপ চাষ করা হয়।গোলাপ সাধারণত কাট ফ্লাওয়ার হিসেবে বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাগান নন কেয়ারী বারান্দা সাজাতে গোলাপের জুড়ি নেই **

আমাদের দেশে আতর এবং সুগন্ধি শিল্পী গোলাপের প্রচুর ব্যবহার রয়েছে
20200705_112132.jpg

20200524_111938.jpg

আপনি যদি ফুল চাষ করতে চান বিশেষ করে গোলাপ তাহলে আপনাকে অবশ্যই জলবায়ু এবং মাটি সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক গোলাপ ফুল চাষের জন্য আপনাকে কেমন ধন মাটি এবং কেমন জলবায়ু প্রয়োজন হবে

জলবায়ু ও মাটি

গোলাপ স্বীত নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলের ফুল বলে একে মৌসুমী ফুল বলা হয়।আপনি যদি অধিক ভালো ফসল পেতে চান গোলাপ ফুল থেকে তাহলে আপনাকে অবশ্যই সুন্দর পরিবেশ এবং সঠিক তাপমাত্রা যুক্ত পরিবেশ বেছে নিতে হবে। কেননা আপনার আবহাওয়া অবশ্যই হতে হবে 22 থেকে 30 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা যা উসসে পার্সেন্ট আপেক্ষিক আদ্রতা এবং 100 থেকে 150 ডিগ্রী গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাত গোলাপ চাষের জন্য উপযোগী।

গোলাপ চাষের জন্য 6.0 থেকে 6.5 পিএইচ মান যুক্ত সুনিষ্কাশিত এবং উর্বর দোআঁশ মাটি উত্তম। ফুলের গুণগত মান সূর্যালোকের উপস্থিতিতে অধিকাংশ নির্ভর করে এক্ষেত্রে বিকাল অপেক্ষা সকালের রোদ বেশি কার্যকর।

আপনি যদি গোলাপ ফুল চাষ করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই এই ফুলের জাত এবং এই ফুলের জাতীয় বিষয় সম্পর্কে কিছু তথ্য অবশ্যই জানতে হবে।

তথ্যগুলো ইচ্ছা করলেই নিচে দেখে নিতে পারেন।

গোলাপের জাত

পৃথিবীতে অনেক ধরনের গোলাপ থাকলেও নিচে যে জাহাজ গুলো দেওয়া হল এগুলো হলো সবথেকে ভালো গোলাপের জাত। চাইলে আপনি এই গোলাপ চাষ করে অধিক মুনাফা অর্জন করতে পারেন।
_ মি রান্ডি পাপা মে লন্ড লাইট তাজমহল প্যারাডাইস জুমা টাটা সেন্টার সিটি অফ বেলফাস্ট ইত্যাদি ইত্যাদি হলো গোলাপ ফুলের কিছু প্রধান এবং দর্শনীয় জাত।

. গোলাপ ফুল রোপণের উপযুক্ত সময় হল ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত যা অক্টোবর থেকে শুরু হয় এবং চারা রোপণের উপযুক্ত সময়।আপনি এই গোলাপ ফুল বিভিন্ন ধরনের ঋতুতে বিভিন্ন ধরনের আকারে তৈরি করতে পারেন যেগুলো আপনাকে অতীব সুন্দর এবং ভালো মানের ফুল দিতে সাহায্য করবে।

গোলাপের জাত এবং গোলাপের রোপণের সময় সম্পর্কে জানলেন। এবার আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে কিভাবে আপনি সেটি চাষ করবেন।

আপনি চাইলে এই গোলাপ ফুল দুই ধরনের পদ্ধতিতে চাষ করতে পারেন।তবে সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।

প্রথম নাম্বার ধাপ হলো আপনি সেটি মাটিতে চাষ করতে পারেন

#:০ দ্বিতীয় নাম্বার ধাপ হলো আপনার গোলাপের চাষ তবে করতে পারেন.

বন্ধুরা হাতে খুব কম সময় থাকার কারণে এই বিষয়ে সম্পূর্ণ আলোচনা করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে আমি খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আমার লেখালেখির কাজটুকু শেষ করতে চাই।

আপনি যদি টবে চাষ করতে চান তাহলে আপনাকে প্রথমে একটি সুন্দর এবং ঢিলেঢালা বড় মাপের টপ বেছে নিতে হবে। তারপর সে টবে কিছু দোআঁশ মাটি এবং গোবর এবং সারযুক্ত মাটি মিশিয়ে একটি পূর্ণ করতে হবে। টপ পূর্ণ করার পর আপনি সেটার ভিতরে কিছু পানি দিয়ে বেশ কিছুদিন রেখে দিন এবং রোদে শুকিয়ে নিন। যাতে আপনার টবের ভিতরে যদি কোন মাটির ভিতরে জীবাণু থাকে তাহলে সেগুলো শুকিয়ে যায় এবং নষ্ট হয়ে যায়।তারপর দুই থেকে তিন সপ্তাহ পর সেখানে একটি ভাল জাতের চারা রোপণ করুন এবং দুই থেকে তিন শব্দের মধ্যে কাজটি সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে থাকুন।

প্রতিদিন অন্তত দুই থেকে তিনবার অথবা সকালে এবং বিকালবেলা গাছে পানি দিন এবং যদি কোন গাছ জন্মায় তবে সেই ঘাস টেনে তুলে ফেলে দিন

দ্বিতীয় নম্বর হলো আপনি যদি কোন কাজ করতে চান তাহলে আপনি মাটিতে গোলাপ চাষ করতে পারেন
গোলাপ চাষের ক্ষেত্রে আপনার কোনো বাধা-বিপত্তি নাই। একই প্রশ্ন জায়গায় হতে পারে আবার স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় তবে না করাই উত্তম। গোলাপ ফুল প্রায় সারা বছর কম বেশি পাওয়া যায়।আপনি যদি মাটিতে গোলাপের চাষ করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই আগে মাটিয়া গাছা মুক্ত করে এবং জমিতে লাঙ্গল দিতে হবে এবং পাঁচ থেকে সাত দিন তুমি রোদে শুকিয়ে নিতে হবে।যাতে করে মাটির সমস্ত জীবাণু নষ্ট হয়ে যায় এবং তারপর জমিতে সেচ দিয়ে নিন এবং গোলাপের বীজ বপন করুন অথবা গোলাপের চারা লাগিয়ে দিয়ে।তারপর বেশ কিছুদিন এক থেকে দুই সপ্তাহ পর দেখবেন যে আপনার গানগুলো খুব জোরে জোরে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অনেক ভালমানের গাছ তৈরি হয়ে গেছে।তারপর আপনি সেখান থেকে অনেক বই পাবেন এবং নিজের জীবিকা নির্বাহের জন্য একটা ভালো পথ খুঁজে পাবেন।

সুন পানি প্রয়োগ

প্রতি লিটার পানিতে 1 চামচ গুড়া চুল পরিষ্কার ভালো করে গুলে পাতলা নেকলেস একে প্রতি তিন মাস পর পর গোলাপ গাছের দিতে হয়। চুন পানি দেওয়ার 15 দিনের মধ্যে অন্য কোনো সাড়া না দেওয়ায় শুধু পানি দিতে হয়।

গাছ ছাটাই

মৃত ও রোগগ্রস্থ ডাল অপসারণের জন্য গাছের উপযুক্ত আকৃতি প্রদানের জন্য প্রতিটি ডালের ফুল আসবার জন্য এবং প্রয়োজনীয় রোদ্র পাবার জন্য নিয়মিত গাছ ছাটাই প্রয়োজন হয়।গোলাপ প্রচুর শাখা বিস্তারকারী গুল্ম জাতীয় গাছ তাই গাছের ফুল দেওয়া শেষ হলেই গাছ কেটে দিতে হবে। নিয়মিত গাছ ছাটাই করতে হবে এবং বড় আকারের ফুল পাওয়া যাবে।

বসার পর অক্টোবর-নভেম্বর মাসে ছাঁটাই জন্য ভালো সময়। সাধারণত 25 থেকে 20 এবং 80 ইঞ্চি বড় রেখে ডাল ছেঁটে দিলে ভালো হয় ডাল এমনভাবে সাজাতে হবে যাতে ক্ষেত্রে বা ছেড়ে না যায়।। ডাল ছাঁটাই ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই ভালো মানের কাচি ব্যবহার করতে হবে। যদি গাছ সাটা এরপর ডাইব্যাক রোগ আক্রান্ত হতে পারে সুতরাং গাছ ছাটাই এর আগে ও পরে কীটনাশক দিয়ে গাছ ভালোভাবে রোগমুক্ত করে নিতে হবে এবং জীবাণুনাশক করে নিতে হবে।

রোগ পোকা দমন

শুয়োপোকা একটি অত্যন্ত খারাপ ধরনের প্রকাশ। যা আপনার গোলাপ গাছ কে নষ্ট করে দিতে পারে।সুতরাং গোলাপ গাছের পোকার হাত থেকে বাচাতে হলে আপনাকে অবশ্যই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সাহায্য নিতে হবে এবং সঠিক কীটনাশক দেশে পোকা দমন করতে হবে। তা না হলে আপনার সমস্ত কষ্টই বৃথা চলে যেতে পারে

বন্ধুরা গোলাপের চাষ সম্পর্কে আজকের টপিক গুলো দিয়েছি এগুলো ভালোভাবে চেষ্টা করুন এবং ইনশাল্লাহ পরবর্তীতে পিক দেওয়ার সময় যেটুকু আছে সেটুকু লেখার চেষ্টা করব।

ফুল

ভালোবাসার এক অপরূপ নিদর্শন। ফোন ছাড়া মানুষ নিজেকে পরিপূর্ণ বিচারপতি হিসেবে গ্রহণ করতে খুব কষ্ট হবে জানি।তাই সঠিকভাবে ফুলকে ভালোবাসো এবং ফুলকে ভালোবেসে মানুষকে ভালবাসার চেষ্টা করুন এবং ভালোবাসি তার চেষ্টা করুন আপনার আশেপাশের দরিদ্র এবং অসহায় মানুষের।শুধু ফুলকি ভালোবাসলেই হবে না এবং মানুষ হিসেবে আপনাকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।

আমার স্টিমিত একাউন্ট

HTTPS://steemit.com/@j44

Posted by

j44@j44

20200705_115836.jpg

posted community

20200705_120034.jpg

love care help

20200705_120243.gif

thanks a lot for this day my blog

Assha otthoba Nitish: ভালোবাসার প্রতীক ফুল | Ecency