টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বিশ্ব ক্রিকেটের সব গুলো দলেই তাদের দল ঘোষণা শুরু করেছেন। এই তো কয়েক দিন আগে ভারতও তাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণা করেছে৷ পাকিস্তান সহ অন্য দল গুলোও একে একে তাদের দল ঘোষণার কাজ সেরে ফেলেছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কর্তৃক আগেই বলা হয়েছিলো ১৪ই সেপ্টেম্বর বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করবেন।
আর তাই করেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচক প্যানেল। অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপের জন্য ১৫ জন সদস্যর সাথে ৪ জন স্ট্যান্ড বাই রেখে দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচক প্যানেল। সাকিব আল হাসান কে অধিনায়কত্ব ঘোষণা করে যে ১৫ সদস্যর দল ঘোষণা করেছেন সেখানে সাকিব ছাড়া সবাই যেন তরুন ক্রিকেটার।
তবে সেখানে একেবারে তরুন ক্রিকেটার ছাড়াও মোটামুটি অভিজ্ঞতা সম্পন্নও অনেক ক্রিকেটার রয়েছেন। লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ অন্যদের তুলনায় ভালোই অভিজ্ঞ। ১৫ সদস্যের সেই দলে রয়েছেন সাকিব অল হাসান ( অধিনায়ক), সোহান, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, মোস্তাফিজ, শওকত, ইয়াসির আলি, সাব্বির, সাইফুদ্দিন, নাসুম, আফিফ, এবাদত, হাসান মাহমুদ।
তাছাড়া তাদের সাথে আরো ৪ জন স্ট্যান্ড বাই ক্রিকেটার হলেন শরিফুল, শেখ মেহেদী, রিসাদ হোসাইন, সৌম্য সরকার। তবে সবচেয়ে অবাক করা বেপার হলো নাজমুল হোসেন শান্তর অন্তর ভুক্তি হওয়া। নাজমুল হোসেন শান্ত বাংলাদেশ জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার পরেও কোনো ভালো পারফরম্যান্স নেই তার৷ বাজে পারফরম্যান্সের জন্য দল থেকে বাদ পরেছিলেন তিনি। তারপর তিনি আহামরি কোনো পারফরম্যান্স ছাড়াই আবার দলে সুযোগ পেয়ে যান। জাতীয় ঘরোয়া লীগ গুলোতেও কোনো ভালো পারফরম্যান্স করতে পারেনি তারপরেও তিনি দলে অটো চয়েস নির্বাচকদের৷ সেটা আসলে অবাক হওয়ার মতোই বেপার।
তারপরেও এই দল নির্বাচনে সবচেয়ে অবাক করা বেপার হলো মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের বিশ্ব কাপ দল থেকে বাদ পরা। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মতো একজন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানের দলে না থাকা সবাইকেই অবাক করেছে৷ যদিও তার সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স তেমন ভালো ছিলো না তারপরেও দল থেকে বাদ পরার মতো তার পারফরম্যান্স ছিলো না। কারন দলে তার চেয়েও বাজে পারফরম্যান্স করেও আবার দলে সুযোগ পাওয়া খেলোয়াড় রয়েছেন।
তবে বিশ্বকাপের মতো এত বড় টুর্নামেন্টে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মতে অভিজ্ঞ ফিনিসারের খুবেই দরকার ছিলো। একজন সিনিয়র অভিজ্ঞ খেলোয়াড় হিসেবে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মতো খেলোয়াড় কে বাদ দেওয়ায় সমালোচনার শিকার হচ্ছেন নির্বাচকরা। তারপরেও বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের জন্য শুভকামনা রইলো। বিশ্বকাপে ভালো কিছু করুক সেই প্রত্যাশাই রইলো।