বাংলাদেশে এখন প্রতিনিয়তই প্রতারিত হচ্ছে আমাদের দেশের অনেক জনগন। আমাদের দেশে এতো পরিমান প্রতারকের সংখ্যা বেড়েছে যে এখন কোন কিছু করতে নিলেও শত বার ভাবতে হয়। আমাদের দেশের অনেক জনগন আছেন যারা পরিবারের সমস্যায় থাকেন। যেমন বেশির ভাগ পরিবারের বিশেষ করে ছেলেরা বেকার থাকার ফলে যখন চোখের সামনে কোন কিছু করার সুযোগ পায়, সেটা করার জন্যে সেখানেই ঝাপিয়ে পরেন। কিন্তু সে এমন এক পরিস্থিতির শিকার থাকেন যার ফলে কোন কিছুর সত্যতাও যাচাই করেন না। এর জন্যে আমাদের দেশের বেকার ছেলেদের নিয়ে কিছু অসাধু লোক তারা প্রতিনিয়ত ঠকিয়ে যাচ্ছেন।
আমাদের দেশের মানুষের এমন এক সমস্যা কোন কিছুর লোভ পেলে সেখানেই ঝাপিয়ে পরে। কিন্তু তারা নিজেও জানে না যে তাদের সাথে প্রতারনা করছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। আমাদের দেশে বর্তমানে বেশি যেটা দেখা যায় সেটা হলো ই-কমার্স এর মাধ্যমে আমাদের দেশের অনেক মানুষকে এমন ভাবে আসক্ত করছেন। যে একবার এই সব ই-কমার্স এর লোভে পরেছেন সে কখনও সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারে নি। যখন তারা ঠকেছেন তখনি তারা বুঝতে পারছেন তারা প্রতারিত হয়েছে। যেমন আমাদের দেশে কিছু দিন আগেই দেখা গিয়েছে ইভিলির মাধ্যমে মানুষকে প্রতারিত করলেন । ইভিলিতে সবাই অগ্রিম ইনভেস্ট করতেন সেখান থেকে ৫,৬ মাস বা তার থেকেও বেশি দিন পর তাদের পন্য দিতেন। তারা পন্য দিতেন সেই পন্যের মুল্যের প্রায় অর্ধেক দামে।
কিছু দিন তারা এভাবে মানুষকে দিয়ে লোভ দেখান তার পর হঠাৎ তাদের উপর তদন্ত হয়। পরে তারা তাদের কম্পানিকে দেওলিয়া ঘোষনা দেন। এতে লাখ লাখ মানুষের টাকা সেখানে আটকে যায়। এমন আরো অনেক ই-কমার্স আমাদের দেশে এসেছে মানুষকে ঠকিয়ে তারা আবার উধাও হয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে আরো একটি ই-কমার্স অনেক প্রকাশ পায় সেটা হলো রিং আইডি। এখানে সবাই ইনভেস্ট করতেন এবং পরে তারা ধাপে ধাপে টাকা ফিরিয়ে দিতেন কিন্তু তারাও হঠাৎ ধরা খেয়ে যায়। তাদের থেকেও আমাদের দেশের অনেক যুবক প্রতারিত হয়েছেন। এমনও আরো কতভাবে যে আমাদের দেশের মানুষ প্রতারিত হচ্ছে সেটা বলে শেষ করার মতো নয়। কিন্তু তবুও আমাদের মানুষ তাতে সতর্ক হতে পারছেন না। বার বার প্রতারকের ফাদে পা দিচ্ছেন।
ভালোই কিছু দিন হলো দেখছি আরও কিছু প্রতারক চর্ক মানুষকে ঠকাচ্ছেন। যেমন আমরা ঢাকা শহরে বা গ্রাম অঞ্চলেও দেখতে পারি জরুরি নিয়োগ দিয়ে কাগজে লিখে দেয়ালে লাগিয়ে রাখে। এটা ঢাকা শহরের প্রতিটি গলিতে গলতে দেয়ালে দেখা যায়। এরাও একটি বড় প্রতারক চর্কের কাজ। তারা এইভাবে কাগজ দেয়ালে ছাপিয়ে দেয় সেখানে একটি নাম্বার দেন। আমাদের দেশের অনেক বেকার যুবক আছেন যারা চাকরি খুঝে পাচ্ছে না তারা এইসব জরুরি নিয়োগ দেখে তাদের সাথে যোগাযোগ করেন। তারা ঠিকানা দেন সেখানে যেতে বলেন। সেখানে গেলে তাদের উউল্টাপাল্টা বুঝিয়ে টাকা নেয় তাদের থেকে। পরে তাদের কে নানা ধরনের হুমকি দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন। এমন ভাবে আমার গ্রমের একটি ছেলেও প্রতারকের এই জালে ফেসে যায়। তার থেকে টাকা নিয়ে তাকে পাঠিয়ে দেন বাড়িতে।
এভাবেই আমাদের দেশে কতো প্রতারক চক্র মানুষের সাথে প্রতারিত করে আসছেন। এর জন্যে আমাদের নিজেদের সতর্ক হতে হবে। আমরা কোন কিছুর লোভে পরে কখনও অজানা কিছু করবো না। তাহলেই আমাদের দেশের এমন প্রতারক চক্রের হাত থেকে সাধারন মানুষ গুলো রক্ষা পাবে।