Author of this content has low reputation.
𝓗𝓮𝓵𝓵𝓸
𝓔𝓿𝓮𝓻𝔂𝓸𝓷𝓮
𝐓𝐡𝐢𝐬 𝐢𝐬 @𝐡𝐚𝐲𝐚𝐭221 𝐟𝐫𝐨𝐦 𝐢𝐧 𝐛𝐚𝐧𝐠𝐥𝐚𝐝𝐞𝐬𝐡
আসসালামু আলাইকুম, আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন। আমিও অনেক ভালো আছি। আজকে আমি শেয়ার করব একটি মুভি রিভিউ সম্পর্কে।
মুভি: লালসালু
লালসালু বাংলা লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত অভিষেক উপন্যাস। ১৯৪৮ সালে রচিত এবং প্রকাশিত উপন্যাস টি বাংলা সাহিত্যের ধ্রুপদী সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত। ১৯৪০ থেকে ১৯৫০ শতকে বাংলাদেশের গ্রাম সমাজে ছিল নানান পটভূমি। সেই সময়ে মূলত গ্রাম সমাজের মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে "ধর্ম ব্যবসা" করার মূল বিষয়।
| লেখক: | অনুবাদক: |
|---|---|
| সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ | উর্দু কলিমুল্লাহ ফরাসি |
| দেশ: | ভাষা: |
|---|---|
| বাংলাদেশ | বাংলা |
| প্রকাশের তারিখ: | ইংরেজি প্রকাশের তারিখ: |
|---|---|
| ১৯৪৮ | ১৯৬৭ |
মুভি রিভিউ
মুভির: মূলকথা
এখন আমি এই সিনেমার মনোভাব সম্পর্কে আলোচনা করব। বা লালসালু মুভির মূলকথা ও রিভিউ করব। মুভিটি দেখে কি বুঝলাম সেই সম্পর্কে আলোচনা করব।
লালসালু একটা সমসাম্যমূল বাংলা চলচ্চিত্র।এর কাহিনী হলো যুগ যুগ ধরে সিকড় গড়া, কুসংস্কার, অবিশ্বাস,ভয় ও দন্দ। গ্রামের গ্রামীণ মানুষের ধর্ম বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে, কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদের প্রতারণার জাল বিস্তারের মাধ্যমে,সে সমাজের কর্তা হয়ে ওঠে। তার এই কাহিনী ফুটে উঠেছে এই চলচ্চিত্রে। মসজিদ, একটি ভাঙ্গা কবরকে গ্রামের মানুষকে মাজার বলে অখ্যায়িত করেছেন।তখন সাথে সাথে এই গ্রামের মানুষ এইচডি বিশ্বাস করে নিলেন মনের মধ্যে। এই মাজার নিয়ে মজিদ সাহেব গ্রামের মানুষের প্রতি ভয়-ভীতি দেখান। যাতে করে গ্রামের সবাই জমির ফসল, হাঁস,মুরগি,কবুতর, সবকিছু এনে দেয় এই মাজারে। এই মাজারের নামে তিনি এইসব জিনিস একা ভোগ করেন। ধীরে ধীরে তিনি এসব করাতে উন্নতির দিকে এগিয়ে গেলেন। তিনি এসব করতে পেরেছিলেন গ্রামের সবাই অশিক্ষিত।
তিনি যেন এই মাজার কে নিয়ে যুগ যুগ ধরে একা সবকিছু ভোগ করতে পারেন, সেজন্য গ্রামের মাতবর কে, সেহাত করে নেন। হাত করে নেওয়ার কারণ হচ্ছে, গ্রামে যেন শিক্ষিত কেউ বের না হয়। তারপরেও গ্রামে একজন শিক্ষিত লোক ছিলেন, তার নাম আক্কাস আলী। সে গ্রামকে শিক্ষিত করার জন্য, একটি স্কুল বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন।তার এই স্কুল বানানোর উদ্যোগটি ও মজিদ সাহেব কৌশলে উদ্যোগটি সফল করতে দেয়নি। এইভাবে তিনি অন্ধবিশ্বাস ও ভয় দেখিয়ে তার অস্তিত্বকে টিকে রাখছিলেন মজিদ। তিনি এতকিছু করার পরও এসব ধরে রাখতে পারেনি। তার অন্ধ বিশ্বাসের কথা সবাই জেনে গিয়েছিল।
আশা করি সবার ভালো লাগবে আমার মুভির সম্বন্ধে জেনে। আমি আশা করতেছি আমার মুভির সবার ভালো লাগবে। এটি একটি শিক্ষামূলক বাংলা চলচ্চিত্র।
আমি এখানে বুঝাতে চেয়েছি যে,এই মুভি বা চলচ্চিত্রে গ্রাম্য মাজার সংস্কৃতিকে গভীর চেতনায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
ধন্যবাদ সবাইকে
..........
@hayat221..........
শুভেচ্ছান্তে-
@hayat221