হ্যালো বন্ধুরা আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন, আমিও অনেক ভালো আছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব আমার ভ্রমনের কিছু মজাদার কাহিনী এবং গল্প।
- তাহলে এখন শুরু করা যাক।
দিনটি ছিল ঈদের দিন। দিনটি এমনিতেই ছিল অনেক আনন্দের। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে গোসল করে ঈদের নামাজ পড়তে ঈদগা মাঠে যাই। ঈদের নামাজ শেষ করে বাসায় আসি ।তারপর গরু কোরবানি করে দুপুরে খাওয়া শেষ করি। তারপর একটু আরাম আয়েশ করেই সব বন্ধুদের ফোন দিলাম ।সব বন্ধুরা আমরা বাইক নিয়ে একটি নির্দিষ্ট স্থানে উপস্থিত হলাম ।তারপর সবাই মিলে ভ্রমণের জন্য আমাদের পার্বতীপুর শহর নির্বাচন করলাম।
তারপর আমরা ওখান থেকে রওনা দিলাম আমাদের গন্তব্য স্থানে ।কিছুক্ষণ যাত্রা করার পর আমরা গন্তব্য স্থানে পৌঁছে গেলাম ।আমরা সরাসরি চলে গেলাম কফিশপে ।সেখানে অনেক সময় ধরে আড্ডা দিলাম অনেক গল্প মজা করলাম ।তারপর কফি শপ থেকে বাইর হয়ে আমরা গেলাম পার্বতীপুর রেলওয়ে স্টেশনে।
স্টেশনে যাওয়ার পর আমরা সবাই মিলে জংশন এর উপরে উঠলাম ।সেখানে উঠার পর বন্ধুরা মিলে অনেক ছবি তুললাম। ছবি তোলা শেষ করে যখন আমরা নিচে নামব তখনই আমার এক বন্ধু বলল বন্ধু আমাকে একটু সাহায্য করো। আমি বললাম তোমার আবার কি হলো। তখন সে বলল আমাকে একটা মেয়েকে খুব ভালো লাগছে। আমি তখন বললাম আমি পারবো না ও তখন আমার পা জড়িয়ে ধরে বলতেছে বন্ধু মেয়েটাকে আমার খুবই ভালো লাগছে আমাকে একটু ম্যানেজ করে দিও ।যখন আমার পা ধরছিল আমার খুব হাসি পেয়েছিল। তারপর তারপর আমি বললাম হয়েছে পাছার ছোট বাচ্চার মত পা ধরতে লাগবেনা চলো মেয়েটাকে ফলো করি।
তারপর অনেক খোঁজাখুঁজির পর মেয়েগুলোর দেখা পেলাম কিন্তু মেয়েদের সাথে কথা বলতে আমরা পারলাম না ।মেয়েদের পিছনে পিছনে তাদের বাসার কাছে চলে আসি। তারপর মেয়েগুলো বাসার ভিতরে চলে যায় আর আমার বন্ধু বলতেছে দোস্ত তুমি শুধু আমাকে মেয়েটার নাম শুনে দাও যেভাবেই হোক।
বন্ধুকে বললাম ঠিক আছে এটা কোন ব্যাপার না ।তারপর আমি আমার একটি ভাইকে ফোন দেই ।কারণ ভাই ওই এলাকায় বসবাস করে ।ভাই আমাদের যাইতে বলে শহরের শহরের উঠান বাড়ি নামক স্থানে ।সেখানে গিয়ে ভাইয়ের সঙ্গে দেখা হয় আর আমাদের অনেক কথা পকথন হয় ।এবং মেয়েটিকে চিনতে পারে এবং মেয়েটির পরিচয় আমাদের দেয় ।আমরা প্রথমেই খুবই আনন্দিত হই ।কিন্তু সব কথা শোনার পর আনন্দ আর আনন্দ থাকলো না।
স্বপ্নগুলো ধুলোয় মিশে গেল কারণ মেয়েটির বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। এই কথা শোনার পর আমার বন্ধুর খুবেই বিশমিত হয়ে আমার দিকে চেয়ে থাকে। তার এই চেহারা দেখে আমাকে অনেক খারাপ লাগলো। আসলে মেয়েটিকে আমার বন্ধুর খুব ভালো লেগেছিল। তারপর বন্ধুকে বুঝিয়ে নিয়ে আসি পার্বতীপুর রেলওয়ে স্টেশনে। আবার সব বন্ধু একসাথে হই তারপর সবাইকে এই কথাগুলো খুলে বলি। এই কথা শুনে সবার মাঝে হাস্যকর ভাব চলে আসে। আমি তখন না পারি হাসতে না পারি কাঁদতে। আমার বন্ধুর চেহারাটা যেন কালো মেঘের আবরণ এ ডুবে গেছে। যাই হোক বন্ধুর মন ভালো করার জন্য আমরা সবাই মিলে বিভিন্ন রকম ফান করলাম এবং অনেক মজা ঠাট্টা করে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম ।
এই ভ্রমণের কথা আমার হয়তো সারা জীবন মনে থাকবে। আসলে ভালোবাসা সবার জীবনে আসে কেউ হারায় আবার কেউ পায়। আমার বন্ধুর জীবনে এসেছিল ক্ষনিকের ভালোলাগা ভালোবাসা। এই ছিল আমাদের ভ্রমণের গল্প বা কাহিনী ।আশা করি সবাইকে ভালো লাগবে ধন্যবাদ সবাইকে।
শুভেচ্ছান্তে-
@hayat221
Cc-
@Bdvoter