১. ১৮:৯ অ্যাসপেক্ট রেশিও হবে আদর্শ
২. শক্তিশালী প্রসেসর
২০১৮ সালের প্রতিটি ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসেই লেটেস্ট প্রসেসরটি যুক্ত করা হবে।
৩. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
অ্যাপল, গুগল, অ্যামাজোন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর ক্রমাগত গুরুত্ব দেওয়ায় অন্যরাও তাদের ডিভাইসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যোগ করবে। অনার ইতিমধ্যেই এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাযুক্ত স্মার্টফোন ভিউ ১০ বাজারে এনেছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই হয়ে উঠবে স্মার্টফোনের বাজওয়ার্ড। আর সম্প্রতি গার্টনারের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২২ সালের মধ্যে প্রায় ৮০% স্মার্টফোনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি যুক্ত করা হবে। ২০১৭ সালের ১০% স্মার্টফোনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ছিল।
৪. অ্যান্ড্রয়েড ওরিও
২০১৮ সালে বেশিরভাগ ফোনেই এই অপারেটিং সিস্টেম চলে আসবে।
৫. ফেস রিকগনিশন
৬. ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর আরো উন্নত হবে
২০১৮ সালের বেশিরভাগ স্মার্টফোনেই ডিসপ্লের কাঁচের নিচেই ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর যুক্ত করা হবে আশা করা হচ্ছে।
৭. সবখানেই ডুয়াল ক্যামেরা
২০১৭ সালে পেছনে ডুয়াল ক্যামেরার যুক্ত করার বিষয়টি বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। তবে ফ্রন্ট ডুয়াল ক্যামেরা খুব বেশি একটা জনপ্রিয় হয়নি। তথাপি ২০১৮ সালে ডুয়াল ক্যামেরা পুরোপুরি মূলধারায় চলে আসতে পারে। এমনকি কম দামের স্মার্টফোনেও ডুয়াল ক্যামেরা সেটআপ চলে আসতে পারে।
৮. ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট এবং টাইপ-সি পোর্ট
অনেক ডিভাইসেই এই প্রযুক্তি দেখা গিয়েছে। কিন্তু বেশিরভাগেরই দাম ৩০ হাজার টাকার নিচে। তথাপি স্মার্টফোন ইউজাররা ব্যাটারি লাইফ কম হওয়া এবং ফোন চার্জ করতে বেশি সময় লাগার বিষয়ে অভিযোগ করতে থামবে না। কুইক, ফাস্ট বা ড্যাশ- যাই বলুন না কেন নতুন এই চার্জিং প্রযুক্তি সব স্মার্টফোনেই চলে আসবে।
৯. নতুন হেডফোন
পুরোনো অডিও জ্যাকের জায়গায় নতুন প্রযুক্তি আসবে। যা ইতিমধ্যেই অ্যাপল ও গগুলের স্মার্টফোনগুলোতে দেখা যাচ্ছে।