আঁচল তার লাল-সবুজের পতাকা

Words
181
Reading
1 min
8y

১৯৭১ সাল, বাংলার বুকে তখন যুদ্ধের আগুন।বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন এদেশের মাটিতে ইতিহাসের সবচেয়ে নারকীয় ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছিল, তখন এই শোষকদের বিরুদ্ধে দেশের সর্বত্র হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছিল সাধারণ মানুষ।প্রাণের বিনিময়ে ছিনিয়ে আনবে স্বাধীনতা। সর্বস্ব দিয়ে নিজের মা-বোনের অপমানের প্রতিশোধ নেবে তারা।এদেশের সাধারণ নারীদের গল্পগুলো কেমন ছিল তখন? অসংখ্য নারী নির্যাতিত হয়েছেন, কারো কারো ক্ষেত্রে সেখানেই হয়েছে জীবনের জাগতিক ও আত্মিক সমাপ্তি, আবার কেউ কেউ সেই জীবনকে পেছনে ফেলে আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন।পুরুষ যোদ্ধার পাশাপাশি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অংশ নিয়েছেন মুক্তির সংগ্রামে। সুনামগঞ্জের কাঁকন বিবি সেইসকল বীরাঙ্গনাদেরই একজন।১৯৭০ সালে বিয়ে হয়ে কাঁকন এপার বাংলায় চলে আসেন। দিরাই উপজেলার শহীদ আলী নামের এক মুসলিম ব্যক্তির সাথে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পরে তখনকার প্রথা অনুযায়ী নাম পরিবর্তন করে হয়ে যান নূরজাহান বেগম।বিবি নামেই তিনি সবার কাছে বেশি পরিচিত পান।সময়টা একাত্তরের উত্তাল মার্চ। কিন্তু সন্তানের পৃথিবীতে আসার অভিজ্ঞতা মায়ের জন্য মোটেও সুখের হয়নি। কন্যা সন্তান জন্মেছে বলে স্বামীর বিরূপ মনোভাবের সম্মুখীন হয়ে শেষ পর্যন্ত মৌখিকভাবে তালাক দেওয়া হয় কাঁকন বিবিকে।১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে বীরপ্রতীক উপাধি দেন। তবে এখনো এটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়নি। সংগ্রামের সেই দিনগুলোর কথা শুনুন কাঁকন বিবির মুখ থেকে