প্রথমেই বলি আদিবাসীরা মহিলা শাসিত সমাজ।কারণ মহিলারাই বেশি পরিশ্রম করে সংসার চালায়। ওদের পেশা গরু চড়ানো আর সারাবছর অন্যের জমিতে কাজ করা। আদিবাসী মহিলারা সারাদিন অন্যের জমিতে গরম কিংবা বর্ষার সময়ে ও ধান রোপন ,সার ছড়ানো ,ঘাস বাছাই ,ধান কাটা, ধান মাড়াই সমস্তটাই করে থাকে।এছাড়া কারো কারো আবার নিজেদের খুব কম পরিমাণে জমিও আছে।প্রতি 100 জন মহিলাদের সঙ্গে 1জন কিংবা 2জন পুরুষ মানুষকে কাজ করতে দেখা যায়।এছাড়া অন্য সময়ে আদিবাসী মহিলারা কাঠ কুড়ানো, গরু চড়ানো, গরুর জন্য ঘাস কাটা,রাস্তার কাজ করা, আলু ও পেঁয়াজের খেত তৈরি এবং তা রোপন ও সংগ্রহ করার কাজও করে থাকে।কেউ কেউ আবার গরুর দুধ বিক্রি করে সংসার চালায়।আদিবাসী পুরুষরা সারাদিন তাস খেলে, মদ খেয়ে কিংবা চায়ের দোকানে আড্ডা দিয়ে সময় কাটায়। আদিবাসী মহিলারা বাচ্চা সামলিয়ে, রান্না বান্না করে, পুরুষদের কাছে কঠিন নির্যাতনের শিকার হয়। আমাদের বাঙালিদের থেকে ওদের ভাষা, পোশাক, আচার-ব্যবহার একটু আলাদা ধরনের। এবার আসি ওদের পোশাক এর কথায়- আদিবাসী মহিলারা সবসময় একটা কাপড়ের খন্ড কিংবা লুঙ্গি এবং শার্ট পড়ে কাজ করে থাকে।এছাড়া শাড়ি ও পড়ে থাকে।ওদেরকে আপনারা সহজেই দেখলে চিনে নিতে পারবেন কারণ ওদের গায়ের রঙ পোড়া কাঠের কালো কয়লার মতো সারাদিন মাঠে রোদ্রে পরিশ্রমের ফলে ,দুই একজন আবার ফর্সা ও আছে কিন্তু ওদেরকে দেখলে বোঝা যায় যে ওরা কতটা পরিশ্রমী। আদিবাসীদের জীবনযাত্রা খুবই সহজ- সরল,খুবই সাধারণ , নৈপুণ্যতায় ভরা অহংকারের লেশ মাত্র নেই এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন লক্ষ্য করা যায় ওদের মধ্যে।সবশেষে বলা যায় ওরা মানুষিক পরিশ্রমের থেকে কায়িক পরিশ্রমে বেশি অভ্যস্ত।
Regards @green015