এই রমজানে আমার সারাদিনের গল্প

Words
655
Reading
3 min
Listen
Play
5y

হ্যালো বন্ধুরা ,
সবাই কেমন আছেন ?
আশাকরি সবাই ভালো আছেন।
সবাইকে রামাদান মোবারাক।

koran-4975131_960_720.png
source

আজকে আমি আপনাদের সাথে আমার পার্সোনাল লাইফ সারাদিনের স্টোরি শেয়ার করবো , আমি অনেক কষ্ট করে সময় বের করেছি এই লিখা গুলো ও আমার কথা গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য , আজ আমি আমার সারাদিন আমার সময় কি ভাবে কাটে সেটি শেয়ার করবো , আমি অনেক আনন্দিত যে আমি আপনাদের সাথে যুক্ত হতে পারছি ও আমার অনুভূতি আমার মতো করে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পারছি। এখন রমজান তাই আমি আমার কোনো ছবি শেয়ার করলাম না।

এখন রমজান মাস , রমজান মাস সবসময় অন্নান্ন মাসের থেকে অন্য রকম হয়ে থাকে , অন্নান্ন মাসের কাজের সময় সূচি ও রমজান মাসের কাজের সময় ও কাজের ধরণ পাল্টে যাই , সারাদিন আমার কি ভাবে কাটে , আমি রাট তিনটায় ঘুম থেকে উঠি , যেহেতো রমজান মাস রাত তিনটায় উঠতেই হবে সেহরি খাওয়ার জন্য , আমি কিন্তু নিজে নিজে উঠতে পারিনা , আমার মা আমাকে ডেকে তুলে , তারপর আমি ফ্রেশ হয় ও খাবার টেবিলে যাই , সবাই একসাথে বসে সেহরির খাওয়া শেষ করি , তারপর সময় থাকে ১৫ থেকে ২০ মিনিট , সেই সময়ের মধ্যে আমি একটা আপেল কেটে খাই ও পানি খাই , তারপর ব্রাশ হাতে নিয়ে ব্রাশ করতে করতে কিছুক্ষন হাটাহাটি করি , এর মধ্যে আযান দিয়ে দেই , তারপর ওযু করে নামাজ পড়ি , নামাজ পড়ার পর কিছুক্ষন ফোন অনলাইন থাকি তারপর ঘুম।

ঘুম থেকে উঠি ৯ টা থেকে ১০ টার দিকে , আমার মা আমাকে বলে রেখেছে আমি যেন এই রমজানে এক খতম কোরআন তেলাওয়াত করি , প্রতিবছর খতম দেয়ার চেষ্টা করি কিন্তু পারিনি , এই রমজানে আমি এক খতম দিবো বলে নিয়ত করি , তাই ঘুম থেকে উঠে আমি ফ্রেশ হয়ে কুরআন শরীফ নিয়ে বসি , এক থেকে দেড় পাড়া পড়ি , পড়া শেষ করতে করতে প্রায় জোহরের আজানের সময় হয়ে যায় , তখন আমি উঠে গোসল শেষ করে জোহরের নামাজ পড়ি , তারপর আমার শরীর কিছুটা ক্লান্ত হয়ে যায় , তখন আমি আমার রুম শুয়ে থাকি , কিন্তু আজকে আমি আমার এই কথা গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য নিজেকে বিশ্রাম না দিয়ে কথা গুল লিখছি।

কিছুক্ষন পর আমার মা ইফতার তৈরী করার জন্য রান্না ঘরে যায় , আমিও আমার মায়ের সাথে সাহায্য করার জন্য রান্না ঘরে যাই , কিছুক্ষনের মধ্যে আসরের আজান , আবার নামাজ শেষ করি , তারপর রান্না ঘরে গিয়ে ইফতার বানানো শুরু করি , আমাদের ইফতারের আইটেম গুলো হলো চানাবুট , আলুরচপ , বেগুনি , সালাত ,খেজুর , টেং ,সাথে কিছু ফল।

ইফতার শেষ করে মাগরিবের নামাজ পড়ি , তারপর শরীরটা আরো বেশি ক্লান্ত হয়ে যায় , তবে এই ক্লান্ত আমার কাছে থাকতে পারেনা , কারণ তখনি আমি এক কাপ করা লিকার দিয়ে দুধ চা বানিয়ে খায় , আপনার প্রশ্ন আস্তে পারে দুধ চা কেন রং চা আরো ভালো , তবে আমার কাছে রং চা ভালো লাগেনা , করা লিকার দুধ চা আমার কাছে অনেক ভালো লাগে , তারপর বাসায় সবার সাথে কথা বলতে বলতে এশার আজান , আর এশার আজান মানেই এশার নামাজের পর তাবাবীর নামাজ , নামাজে দাঁড়িয়ে যাই আম্মু এবং আমি একসাথে , কোনোদিন ২০ রাকাত পরেও আবার কোনোদিন ১২ রাকাত পরে উঠে যাই , আপনাদেরকে একটা কথা বলে রাখি , তারাবির নামার হলো সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ , এই নামাজ পড়তেই হবে না হলে রোজা সম্পূর্ণ হবে না ও গুনাহ হবে। আমি হুজুরের কাছ থেকে শুনেছি।

নামাজ শেষ করার পর রাতে আমি আর কিছুই খাই না , অনলাইন বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে দিতে ঘুমিয়ে যাই , এই হচ্ছে আমার সারাদিনের সময় সূচি , কিন্তু রোজার পর এই সময় সূচি পাল্টে যাবে।

আপনারা যাদের আমার এই সময় সূচি ও কাজ মিলে গিয়েছে তারা অবস্যই আমাকে মন্তব্য করে জানাবেন , আর আপনাদের কিভাবে দিন কাটে আমাকে সংক্ষেপে জানাবেন। আমি আশাকরি আপনাদের কাছে আমার কথা গুলো ভাবে লাগবে। আমার আমার অনুভূতি ও আমার কথা গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে রোজা রাখার তৌপিক দান করুক ,ও সবাইকে সুস্থতা দেন করুক , আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন , সবার জন্য শুভ কামনা রইলো , আজকে এখানে আমি বিদায় নিচ্ছি।