নস্টালজিক

Words
207
Reading
1 min
Listen
Play
6y

আমরা যারা কৈশোর পেরিয়ে যৌবন বা মাঝ বয়সে পৌঁছেছি, জীবনের কোন এক মোড়ে, কোন এক ঝকঝকে রোদেলা বিকেলে, শান্ত নিবিড় পরিবেশে, নিজের অজান্তেই সেই শৈশবে ফিরে যেতে চাই। এটা সেই শৈশব যেখানে ছিল শুধু বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাস, উদ্দামতা আর বন্ধুদের সাথে পাগলামি। সময় ভ্রমণ করে, দিন তারিখ উল্টেপাল্টে, ঘড়ির কাঁটা ঘুরিয়ে দিয়ে যদি সেই দিনগুলোতে ফিরতে পারতাম তাহলে হয়তো খুব মজা হতো। মাঝ বয়সে এসে নিজের শৈশব দেখা! নিচের কাব্যটি এমনই এক সময় কে নিয়ে লেখা।

FC44D8B509344CF993988FE4D5F382B1.jpeg

নস্টালজিক

বহুদিন রংধনু দেখিনা
সাতটি রঙের পাখা মেলা ঝুলনা,
ছুঁয়ে দেখা হয়না
স্রোতস্বিনী পদ্মা-মেঘনা-যমুনা॥

গ্রামের মেঠোপথ
উৎসবমুখর রথ,
ক্লান্ত কৃষকের হাসি
করুন রাখালের বাঁশি॥

দাওয়ায় বসে দাদিমার গল্প
রাতভর ঢেঁকি ভাঙার শব্দ,
কাক ডাকা ভোরে শিশির ভেজা পদ্ম
অথবা বকুল ফুলের তীব্র গন্ধ॥

আকাশে আশ্বিনের চাঁদ
কৃষাণীর কল্পনায় যুগল হাত,
জোছনার সাথে পাল্লা হবে আজ
সাথে নিয়ে জীবনের ঘাত-প্রতিঘাত॥

বর্ষার জল
হাটু জলে ফুটবল,
ঝুম বৃষ্টি, বিদ্যুৎ চমক
ছুটে চলা কই মাছের দল॥

রানার ছুটেছে বন-পাহাড় ভেঙে
হাজার লোকের স্বপ্ন কাঁধে নিয়ে,
প্রিয়সির উচাটন মন আছে পথ চেয়ে
নির্ঘুম রাতে জোনাকির আলো দেখে॥

যদি এমন হতো
পেছনে যাওয়া যেত,
সবাই তার শৈশব ফিরে পেত
ভুলগুলো সব শুধরে নেওয়া যেত॥

উপরের কবিতাটি মৌলিক এবং স্বরচিত। আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে। আবার আসব নতুন কোন লেখা নিয়ে। সবাই ভাল থাকবেন সেই প্রত্যাশায়, বিদায়।

নস্টালজিক | Ecency