Nepal fact, air crush

Words
170
Reading
1 min
Listen
Play
8y

তখন ফাইনাল প্রফ চলছিলো।আমার রুমমেটদের পরীক্ষা শেষ।সবাই বাসায় চলে গেছে।
আমি একা একা রুমে বসে পড়ছি।
মেডিসিন ভাইবার আগের দিন,মাগরেবের একটু আগে হঠাৎ আপনা আপনি চোখে জল চলে এলো।মনে হচ্ছিলো,ইস,যদি মরে যেতাম।পরীক্ষাটা দেয়া লাগতো না।
আমাদের পরীক্ষাগুলি এমন।দুই আড়াই মাস ধরে স্টীম রোলার চলতে থাকে।খেয়ে শান্তি পাইনা,ঘুমিয়ে শান্তি পাইনা।শুয়ে থাকলে বুক ধড়ফড় করে।আচমকা ঘুম ভেঙ্গে যায়।বুকের ধুকপুকুনি কানে এসে লাগে।এইতো গেলো পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হবার দূরত্ব।অন্তত পাঁচ/ছয় মাস আগে থেকে প্রস্ততি নেয়া শুরু করি।পড়া,খাওয়া আর ঘুমের মধ্যে জীবন আটকে পড়ে।কোনো আনন্দ নাই,ঘুরাঘুরি নাই।হৈ চৈ নাই।মনে মনে আল্লাহকে ডাকি।
যেদিন পরীক্ষা শেষ হয়,সেদিন আমাদের প্রথম এবং একমাত্র কাজ হচ্ছে বাসায় যাওয়া।আব্বা আম্মার মুখ দেখা।ভাই বোনের মুখ দেখা।পরীক্ষা যেমনই হোক,আমরা মুক্ত বিহঙ্গ হয়ে যাই।আমরা ভাবি আজ অনেক ঘুমাবো।ঘুম আর আসে না।
এই রকম স্টীম রোলারে পিষ্ঠ হয়ে চিড়ে চ্যাপ্টা হয়ে যাওয়া নেপালী যে হবু চিকিৎসকরা আজ বাবা মা'র মুখ দেখতে পেলো না তাদের জন্য বুক ফেটে যাচ্ছে।সবার জন্যই খারাপ লাগছে।অচেনা অজানা মানুষের জন্য এত হাহাকার কখনো অনুভব করিনি।
সৃষ্টিকর্তা তাদের উত্তম প্রতিদান দিক।
তাদের পরিবারকে ধৈর্য ধরার ক্ষমতা দিক।

follow dedicatedjaved@dedicatedjaved