কাফিরদের সেনারা যেখানে যুদ্ধ করতে যায়, সেখানে সুযোগ পেলেই ধর্ষণ করে। এমনকি যেখানে তারা ত্রাণ দিতে যায়, সেখানেও তারা সুযোগ পেলেই অসহায়দের ধর্ষণ করে। এটা হল তাদের নারী স্বাধনীতার পয়গম। শুধু কি নারীদের ক্ষেত্রেই? নাহ! তারা শিশুদেরও ছাড় দেয় না। জাতিসঙ্ঘ নামক কুফফার সঙ্ঘের নামে এরা যেখানেই যে কাজ করতে গিয়েছে, নারী থেকে শিশু কাউকে রেহাই দেয় নি। প্রতিটা জায়গায় তারা কিছু না কিছু করেছে। সব গুলোর খবর হয় নি, এই যা।
এইসব কাফিরদের অনুসরণ করে যারা চলে, তারা মুসলিম নাম ধারণ করলে কি হয়েছে? তারাও কম বেশী এসব কাজ করে, এবং করেছে। আপনারা নিশ্চয়ই ইতিহাস কম-বেশী জানেন। কারণ তারা মুসলিম নামধারণ করলে কি হবে, তাদের মাইন্ডসেট কাফিরদের মত। এবং এসব লোকেরাই দেখবেন শরীয়াহর যুদ্ধিনীতি কত বর্বর, কত নৃশংস, এ্যাটলিস্ট এযুগে চলে না, এসব ধারণা লালন করতে। এবং এসবের নাম দিয়ে তারা ইসলাম হতে পালাতে চায়, যেন কাফিরদের নীতি গ্রহণ করতে পারে।
যখন তালিবানরা এইসব কাফির এনজিও কর্মীদের তাদের এলাকায় ঢুকতে দিত না, তখন কত আহলুল ইসলাম তালিবানদের বাড়াবাড়ির সমালোচনা করেছে, আজকে তারা কই? এই এনজিওগুলো ত্রাণের নামে মুসলিমদের খ্রিষ্টান-মুশরিক বানানো থেকে শুরু করে যৌন নির্যাতন করে আসছে সেটা অনেক আগে থেকেই। এখন তাদের পক্ষের লোকগুলোই ব্যাপারগুলো স্বীকার করছে, এখন তো কারো অস্বীকার করার সুযোগ নেই যে এসব লোকেরা কতটা জঘণ্য উদ্দেশ্য নিয়ে মানবতাবাদী হিসেবে অসহায়দের কাছে আসে। তো এখান থেকে আমাদের করণীয় কি বের হল? মানুষ বলে আমাদের করণীয় কিছু নাই।