অপারেশন থিয়েটার থেইকা বের হইয়া হাতে পড়তে গিয়েই ঘড়িটা নিচে পইড়া যায়।ফ্লোর থেইকা তুইলা নিয়া তাকাইয়া দেখি বেচারা স্ট্রোক করছে।কোন নড়াচড়া নাই,প্যারালাইজড
।মাঝেমাঝে মাঝখানের কাঁটাটা একটু আধটু নড়াচড়া কইরা মরার আগ মুহূর্তের খবর দিতাছিল।কিন্তু আমি তো মরতে দিমুনা,লইআ গেলাম মেকানিকের কাছে,সেই ভাব নিয়া ঘড়ি পর্যবেক্ষণ কইরা বলল,ব্রেইনে(ব্যাটারি) সমস্যা।মানুষের ব্রেইন ট্র্যান্সপ্লান্ট করার ব্যাপারটা না ঘটলেও আমার ঘড়িরটা চেঞ্জের সুযোগ থাকায় বিজ্ঞ মেকানিক চেঞ্জ কইরা দিল।ঘড়ি মাসাল্লাহ ভালাই চলতে লাগলো।কিন্তু রুমে আইসা দেখি ঘড়ি দম টানাটানি করতে আছে।একটু চলে,একটু থামে।বুঝতে পারছি হয় ডাক্তর সাবের ডায়াগনোসিস ভুল ছিল নইলে লাগানো ব্রেইনটা(ব্যাটারি) আগে থেকেই বাবা খাইয়া লোড হইয়া আছে।যাক আর গেলাম না তার কাছে।এখন ঘড়িরে ফিজিওথেরাপি দিতাছি।একটু পরপর টোকা মারি আর নড়াচড়া দিয়া উঠে।আবার থামে,আবার ফিজিওথেরাপি দেই।বাংলাছবির মতো,মৃতপ্রায় লোকেরে থাপ্রায়া থাপ্রায়া বাঁচাইয়া তোলার মত।শালার ঘড়ি,আমারে ছাইড়া তুই চইলা যাইতে পারবিনা।তো আমাদের খেলা চলছে,চলবে।।।।
follow @dedicatedjaved