অসাধারণ মেয়ের জীবন যুদ্ধ

Words
262
Reading
2 min
Listen
Play
8y

hello #steemtuner and #weekly-curationlounge

জন্ম থেকে হাঁটুর নিচ থেকে বাঁ পা নেই। হামাগুড়ি দিয়ে চলেন। তবে প্রতিবন্ধিতা তাকে থামিয়ে রাখতে পারেনি তিনি বগুড়া সরকারি কলেজে স্নাতক (পাস) শ্রেণীতে পড়েছেন। নাম অমৃত বালা। মানুষের নানান কথা শুনেও একটু ভেঙ্গে পরেনি।এই অসাধারন প্রতিভাবান মেয়ে এর জন্ম বগুরা সদরউপজেলার পারকাটা গ্রামে।তার মায়ের নাম বিভা রাণী এবং বাবা গনেশ চন্দ্র বালা।মা বিভা রানী জানান তিনি গৃহিণী, অমৃতের জন্মের পর স্বামী ছেড়ে গেছেন। তিন ছেলে-মেয়ের মধ্যে অমৃত মেজ। বড় ছেলে শংকরচন্দ্র বালা কৃষিকাজ করেন ছোট মেয়ে মালসী রানী বিয়ে হয়ে গেছে।

লেখা পড়ার কাহিনী: Hi #steemitbd

অমৃত বালা বলেন প্রতিদিন 15 কিলোমিটার দূর থেকে বাস ইজিবাইক বা পিকআপে করে উপজেলা সদর আসেন। সেখান থেকে হামাগুড়ি দিয়ে কলেজে আসেন উচ্চমাধ্যমিকে পড়ার সময় কলেজ থেকে তাকে একটি হুইল চেয়ার দেয়া হয়েছিল। তা নষ্ট হয়ে যাবার পর হামাগুড়ি দিয়ে কলেজে যান।আগ্রহ ছিল। 2005 সালে ওকে পুরাকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভর্তি করানো হয়। ষষ্ঠ শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হওয়ার পর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ভর্তি হয়।সেখান থেকে অমৃত 2014 সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ২.৬৯ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। পরে ইটবাড়িয়া কদমতলা হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ 4 দশমিক 42 পায়।বর্তমানে সে রেগুনা সরকারি কলেজে বিএ পড়ছে। অমৃত বালা বলেন আমার ইচ্ছা পড়ালেখা করে শিক্ষক হব। সমাজ থেকে অশিক্ষা দূর করব। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজের বোঝা নন, দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন, সেটা প্রমান করব। মা ছাড়া ও সহপাঠীরা আমাকে লেখাপড়ার উৎসাহ দেন। চলাচলে সাহায্য-সহযোগিতা করেন।
#ocd-resteem
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায় অমৃত বাড়ি।অমৃতের মতো অনেক মেধাবী প্রতিবন্ধি রয়েছে। যারা একটু সাহায্য পেলে কিছু করে দেখাতে পারেন।
#health #travel #busy and #travelfeed

কেমন লাগল অমৃতের জীবন কাহিনী জানান। কমেন্ট বক্স সব সময়ের জন্য খোলা আছে...

অসাধারণ মেয়ের জীবন যুদ্ধ | Ecency