রাগ খারাপ অভ্যাস, নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়।

Words
236
Reading
2 min
Listen
Play
8y

image

১০ বছরের ছেলে রায়হান। সে অল্পতেই রেগে যায়। সামনে যা পায় সব ভাঙচুর করে। অনেক সময় অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে এবং মারধর ও করে। তার এই খারাপ অভ্যাসটি দিন দিন বেড়েই চলছে। তার বাবা চিন্তা করল রায়হানের এই বাজে অভ্যাসটি দ্রুত ফেরাতে হবে।
রায়হানের বাবা রায়হানকে ডেকে পাঠালেন।
রায়হান বাবার সামনে এসে দাড়াল,
ডেকেছ বাবা?
হুমম... এই নে! এই ব্যাগ টা রাখ।
ব্যাগে কি আছে?
এই ব্যাগে কিছু লোহা এবং একটি হাতুড়ি আছে। এখন থেকে যখনি রাগ হবে তখনি বাগানের পাশের বেড়াতে লোহা গুলো টুকতে থাকবে। যতক্ষণ রাগ না কমবে ততক্ষণ লোহা টুকতে থাকবে।
রায়হান তাই করতে থাকল। প্রথমদিন সে প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ লোহা দেয়ালে টুকে ফেলল এবং ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফিরল। দ্বিতীয় দিন কিছু কমল। তৃতীয় দিন আরো কিছুটা কমল। সে বুঝতে পারল লোহা টুকার চাইতে রাগ সংযত করা সহজ কাজ। তাই সে রাগকে সংযত করতে লাগল।

এতদিন রায়হান বাবাকে বলল, বাবা গত তিনদিন যাবৎ আমার রাগ হচ্ছেনা তাই দেয়ালে লোহাও টুকতে হচ্ছেনা।
বাবা বললেন, তাহলে আজ থেকে যেদিন ই তোমার রাগ হবেনা সেদিন ই কিছু করে লোহা তুলে নিয়ে আসবে। যতদিন পর্যন্ত সকল লোহা তুলা শেষ না হবে ততদিন এ কাজ করবে।
অনেকদিন পর রায়হান দেয়ালের সকল লোহা তুলা শেষ করল।
তারপর সে তার বাবাকে ডেকে নিয়ে দেখাল।
তারপর বাবা বললেন, তুমি সব লোহা তুলে নিয়েছ ঠিকই কিন্তু দেয়ালের ফোটা গুলো কি কখণও মুছতে পারবে?
রাগ করে কারো মনে দুঃখ দিলে রাগ তুলে নেওয়া যায় কিন্তু মনে দেওয়া কষ্টটটা ঠিকই থেকে যায়।