অহংকারী রাজকন্যা!

Words
271
Reading
2 min
Listen
Play
8y

Screenshot_2018-05-04-09-12-32-1.png
Source

এক যে ছিল রাজকন্যা। তার ছিল ভয়ংকর সুন্দর রূপ। তার রূপ দেখে সবাই মুগ্ধ হয়ে যেত। তার কোনকিছুর কমতি ছিলনা। তার বাড়ির সামনে ছিল বিশাল বড় এক বাগান। বাগানে ছিল হাজার প্রকারের ফুল ফলের গাছ। বাগানের মাঝখানে ছিল বিশাল এক পুকুর। পুকুরের হাতলটি ছিল সোনা দিয়ে তৈরী এবং সিড়ি ছিল রূপার তৈরী। পুকুরে হরেক রকমের মাছ ছিল এবং অনেক সুন্দর প্রজাতির হাঁসও ছিল।

রাজকন্যা প্রতিদিন বাগানে যেত এবং গিয়ে ফুলের কাছে বলত তোমরা অনেক সুন্দর কিন্তু তোমরা আমার রূপের কাছে কিছুই না। আমি সবচেয়ে সুন্দরি। তোমরা প্রতিদিন আমার রাস্তায় ফুলের পাপড়ি ছড়িয়ে দিবে। আমি যদি তোমাদের উপর দিয়ে হেটে যাই তাহলে তোমরা অনেক সুন্দর হয়ে উঠবে।

ফুলের সাথে কথা বলা শেষ হতেই শুরু করে ফলের সাথে কথা বলতে। সে ফলের সাথেও অনেক অহংকার নিয়ে কথা বলত। তারপর সে যেত পুকুর ঘাটে।

পুকুর ঘাটের সিড়িতে গিয়ে বসত। পুকুরে সাতার কাটা হাঁসগুলোকে বলত, এই হাঁসের দল। তোমাদের এই সৌন্দর্য আমার রুপের কাছে কিছুই না। তোমাদের সাথে ঐ সূর্যের যত ব্যাবধান আমার রূপের সাথেও তোমাদের তত ব্যাবধান। তোমরা অনেক ভাগ্যবান যে প্রতিদিন আমার সাথে দেখা হয়। পানি ও মাছের সাথেও অনেক অহংকার নিয়ে কথা বলে সে। তার এমন আচরণ দেখে বাগানের ফুল - ফল এবং পুকুরের হাঁস,মাছ, পানি খুব কষ্ট পায়।

ধীরে ধীরে রাজকন্যা বড় হয়ে গেল। চতুর্দিকের রাজ্যগুলো থেকে রাজপুত্ররা বিয়ের প্রস্তাব পাঠাতে থাকে। যখনই রাজপুত্ররা শুনতে পায় রাজকন্যার অতিরিক্ত অহংকার তখনই তারা বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে নেয়। রাজকন্যার আর বিয়ে হচ্ছেনা। রাজকন্যা পড়ল মহা চিন্তায়। বাগানে গিয়ে দেখল এখন আর গাছে ফুল ধরেনা। সকল গাছ শুকিয়ে গেছে। পুকুরও শুকিয়ে গেছে। সে খুব কষ্ট পেল
কিছুদিন পরেই এক রাজপুত্র তার জন্য বিয়ের প্রস্তাব পাঠাল। রাজকন্যা অহংকারী জেনেও রাজপুত্র তাকে নিতে এল। রাজপুত্র এসেই...........

অহংকারী রাজকন্যা! | Ecency