আমরা দৈনন্দিন জীবনে নানা ধরনের সমস্যাতে পরতে পারি । সেই সমস্যা থেকে বেড়িয়ে আসবার জন্য আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করতে পারি । আজ আমরা ৫টি ধাপ নিয়ে কথা বলব, যার মাধ্যমে আমরা সমস্যা থেকে রেহাই পেতে পারি ।
প্রথমত আমাদেরকে চিন্তা করতে হবে, আসলে সমস্যাটা কী? আপনি যদি ডিপ্রেস থাকেন এবং হতাশা যদি আপনাকে ঘিরে থাকে, তাহলে সেসবকে দূর করার পরিবর্তে সেগুলো নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন, এ ধরনের সমস্যা জীবনে থাকবেই, এগুলো নিয়েই বেঁচে থাকতে হবে আপনাকে। কিন্তু শুধুমাত্র এসব নিয়ে চললেও কিন্তু হবে না আবার । তাই আপনার মূল সমস্যাটা চিহ্নিত করুন ।
সমস্যা চিহ্নিত করার পর সেটা নিয়ে কোন ধরনের চিন্তা করা যাবে না । যদি সমস্যা নিয়ে চিন্তা করেন তাহলে দেখবেন আপনার চারপাশে সমস্যা ঘিরে আছে । নানান ধরনের চিন্তা আপনার মাথায় ঘুরবে যেমনঃ সমস্যা কীভাবে দূর করবেন, সমস্যা আপনার কি ধরনের ক্ষতি করতে পারে। এসব চিন্তা করতে করতেই আপনার দিন কেটে যাবে । তাই সমস্যা নিয়ে না ভেবে " সমস্যা সমস্যার জায়গায়, আর আমি আমার জায়গায় " এটা ভেবে কাজ করে যেতে হবে ।
আপনি যখন কোন সমস্যার মধ্যে থাকবেন তখন আপনি যথাসম্ভব নিজেকে ব্যাস্ত রাখার চেষ্টা করবেন । যেমন ধরুন নতুন কোন কাযে লেগে যেতে পারেন । এখানে কাজ বলতে কিন্তু কাগজ কলম নিয়ে অফিসের কাজে ব্যস্ত হওয়ার কথা বলা হয় নাই । এখানে নতুন কাজ হতে পারে ধরুন - খেলেধুলা করা, নতুন একটা গল্প বা উপন্যাস এর বই পড়া অথবা নিউ মুভি দেখা । নিজেকে ব্যস্ত রাখার জন্য এগুলোই উত্তম পদ্ধতি । তাছাড়া আপনি আপনার পছন্দের জেকোন কাজ করে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারেন ।
আপনি যখন নিজেকে ব্যস্ত রাখতে শুরু করবেন, তখন দেখবেন ধীরে ধীরে আপনার দুশ্চিন্তা, হতাশা এরকম অন্যান্য সকল সমস্যা আপনার কর্মব্যস্ততার সাথে পেরে উঠছে না। আর পারবেই বা কেন ? আপনি তো এখন আপনার কাজগুলো নিয়ে মহাব্যস্ত ! এখন আপনাকে আস্তে আস্তে তুলনামুলক দরকারি কাজ গুলো করা শুরু করতে হবে।
এতোকিছু করতে গিয়ে আপনাকে আপনি ব্যস্ত রাখছেন এবং এসব কিছুর পাশাপাশি নিজের জন্য সময় বের করছেন এর থেকে খুশির আর কি আছে ! এই সময়টুকুর সদ্ব্যবহার করলেই দেখবেন আপনার দুশ্চিন্তা আর হতাশা সব চলে গেছে। এখন আপনি স্বাধীনভাবে নিজের মত চলতে পারবেন।
আজ এই পর্যন্তই আবার যদি কোনোদিন হতাশা, দুশ্চিন্তা, এসব মানসিক অশান্তিতে পড়েন তাহলে তো জানাই আছে কী করতে হবে। সোজা ধাপ ১ এ চলে গেলেই হবে ।