গত কয়েক বছর ধরেই পর্যটন কর্পোরেশন থেকে বেশ কিছু দৃষ্টিনন্দন অ্যাড দেখে আশাবাদি হয়ে ছিলাম, নতুন পর্যটনমন্ত্রীর কথায় আশা পেয়েছিলাম, অথচ খুব একটা পরিবর্তন চোখে পড়েনি।
এটা ঠিক মানুষ আগের চেয়ে এখন প্রচুর ঘুরতে বের হচ্ছে। দেশের প্রতিটি পর্যটন এরিয়া এখন লোকে লোকারণ্য থাকে। এর একটি কারণ মানুষের হাতে টাকা এসেছে, মানুষ এগুলো সম্পর্ক জানতে পেরেছে, রাস্তা ঘাটের উন্নতি হয়েছে। তারপরেও আমাদের এখানে এখনও সিস্টেমগুলো ঠিক মত দাঁড়ালো না। অবাক করার মত বিষয়, কক্সবাজারে বা বান্দরবানে ৪ দিনের ট্যুর দিতে গেলে যে টাকা খরচ হয় সেই সমপরিমাণ বা তার চেয়েও কম টাকা দিয়ে পাশের দেশের দু একটি রাজ্যেতে আরও আরামে ঘুরে আসা যায়। এখানে হোটেল ভাড়া, খাওয়া, ঘোরার খরচ অনেক বেশি। আর অপরিচ্ছন্নতার হিসেব তো আলাদা। সেটিতো আর শুধু সরকারের দোষ না, আমাদের রক্তের দোষ।
পর্যটন দিবসে আমাদের অঙ্গীকার করা উচিত, আমরা আমাদের সবুজ রক্ষা করবো। মজার বিষয় হলো, খুব ছোট্ট একটি কর্মের মাধ্যমেও আমরা এই পরিবেশ রক্ষায় সামীল হতে পারি। আমি যদি মনে করি, যেখানে সেখানে বিস্কুটের প্যাকেট, প্লাস্টিক বোতল ফেলবনা তাহলে সবুজ রক্ষা পাবে। বিদ্যুতের অপচয় কম করব, হোটেলের তোয়ালে লন্ড্রির কাছে পরিস্কার করতে না দিব, তাহলেও এই পৃথিবীর সবুজের অবস্থার অনেক উন্নতি সম্ভব।
আসুন চেষ্টা করি। প্লাস্টিকের ব্যবহার কম করি। যত্রতত্র ময়লা না ফেরি। আমাকে কেন, গহিন বনে গিয়ে চিপস খেতে হবে আর তার প্যাকেট ফেলে আসতে হবে? ঝর্ণা এরিয়াতে পানির অভাব নেই তাও কেন পানির বোতল টানতে হবে?