জীবন সর্বদাই অপ্রত্যাশিত, কখনো খারাপ দিকে মেড় নেয় আমরা জানি না। এটা অদ্ভুত কিভাবে জীবন কাজ করে, একদিন সবকিছু স্বাভাবিক ভাবে চলছে, তারপরেরই রঙিন থেকে এমন কিছু ঘটতে পারে যা সবকিছু বদলে দেয়। জীবন অনির্দেশ্য।
আমরা একটি নির্দিষ্ট দিনে আমাদের সাথে ঘটতে পারে এমন সমস্ত জিনিস সম্পর্কে চিন্তা করি না, ভাল বা খারাপ। আমরা যদি তা করতাম, তাহলে আমরা আমাদের বাড়ি থেকে বের হতাম না। আমরা আমাদের বাচ্চাদের আমাদের দৃষ্টির বাইরে যেতে দিতাম না।কিন্তু ভালো খারাপ সব অপ্রত্যাশিত।
এমনই ভাবে একজন ব্যাক্তির জীবন সাংসার পাল্টে গেছে মুহুর্তেই। একটা পরিবার সুখের জীবন যাপন করতেছিলো হঠাৎই তাদের জীবনে কালো মেঘ নেমে আসে। যা তাদের জীবনে অন্ধকার নামিয়ে দেয়।
নাইম, যার বয়স আনুমানিক ২৭ বছর হবে, সে কয়েক বছর আগে বিয়ে করে, তার ভালোবাসার পুরন হয়। পরিবার নিয়ে সুখে বসবাস করতে ছিলো হঠাৎ তার স্নেহের সন্তান অসুস্থ হয়ে পরে। ডাক্তার বলে সে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে।তারপর থেকেই নাইমের সংসারে নেমে আসে অন্ধকার।
নাইম একজন দিনমজুর, সে সারাদিন কঠোর পরিশ্রম করে তার সংসার চালায়, কিন্তু সে দিনমজুরি দিয়ে যে টাকা ইনকাম করে তাতে তার সংসারের সাথে সাথে বাচ্চার চিকিৎসা করানো চ্যালেঞ্জিং। তার বাচ্চার জন্য ঔষধ কেনা সহ যাবতীয় খরচ সামলানো কঠিন হয়ে দাড়ায়। এবং হঠাৎ একদিন রাতে তার ছোট ছেলেটি ভীষন অসুস্থ হয়ে পরে, সে চিন্তিত হয়ে যায়। ছেলেটির অবস্থা দিনদিন অবনতির দিকে যায়, ডাক্তার নাইমকে জানায়। এতে সে হতাশ হয়ে পড়ে, ডাক্তার আরো জানায় যে, ছেলোটির শরীরে প্রতিমাসেই রক্তের ট্রান্সপ্লান্ট করাতে হবে, যা নাইমের জন্য ব্যয়বহুল। তবুও সে আরো বেশি কঠোর পরিশ্রম করে সেটার ব্যবস্থা করে।
যাইহোক মূল বিষয়ে আসি, নাইমের ছেলের অপারেশন করাতে হবে, যা আরো বেশি ব্যয়বহুল। সে আমার প্রতিবেশী, আমার কাছে সাহায্য আবদার করেছে। আমি যতটুকু সম্ভব তাকে সাহায্য করেছি কিন্তু সেটি যথেষ্ট নয়। তাই আমি আপনাদের কাছে তার জন্য সাহায্য আবেদন করছি, আপনার ছোট্ট সাহায্য তার জন্য বিশাল। তাই আপনাদের সাহায্যে হাত বাড়িয়ে দিন এবং ছোট্ট ছেলেটিকে সুন্দর পৃথিবীতে বাঁচতে দিন।