বনবিথিরপাতা ঝরাপথে একলা পায়ে হেটে যাই
নিঝুম আলগা অবচেতনে মনে মনে ভাবি
অনাব্য উপকুলের কথা
লালমাটির সুরের ভাষা, গোলাপের শিহরণ
যা বিকশিত হয়েছিল এই ছায়াকুঞ্জে
দূরে সমুদ্রে বিজলিআভাসে পাল তুলেছে নাবিক
কিনারাহীন আন্ত্রিপের আন্তরালে
মিশর কোন প্লাবন তটে
নিস্তরঙ্গ অভিলাষে মূর্ছিত অশ্রুরেখার বালি
দন্তফালনের হিংস্রতায়,মৃত্যর গন্ধে
মজেছিল নীলনদের জল
নবজন্মা শিশুরমত মনে জেগেছিল বিষ্ময়
সীমিত উজ্জীবতার শিহরনে
মানবীয় বিস্তারের পর্দারপনে
দ্রাক্ষাক্ষেত্রে বিন্দু বিন্দু ঝরেছিল পুষ্পরস
ধানশিষের সোনালী অগ্রের প্রিয় দোলায়
ফুটে উঠা নীলাকাশের বুকে অনাবিল আনন্দে
সাদা টিউলিপের মাটিভেজা ঘ্রানে
ঘনিয়ে এসেছিল বস্তাভাস
আলোকমালায় প্রানার মিলনে
অবাধ সংগমে
কবরী সাজানো মায়া মহিনীর পায়ে
বেণুলতায় আবহনীর রেশ
মহুয়ামিলন কোলে