ইশ !
আজকে কিছু শ্লীল শব্দ বলি।
আমার রাষ্ট্রের ভরাট নিতম্ব রয়েছে। রয়েছে সেক্সি শরু কোমর। আছে হিমালয় উচ্চ বক্ষ !
হালকা চুলে আবৃত যোনিদ্বার! যে যেমনে পারছে ইচ্ছে মত ধর্ষণ করছে। এখন রাষ্ট্রের ভাবখানা এমন, "ধর্ষণ যখন অনিবার্য, উপভোগ করায় শ্রেয়।"
ইচ্ছে করছে, চলে যাই বহুদূর। লাল-সবুজের বৃত্ত ছেড়ে চলে যাই। এই লাল-সবুজের বৃত্ত আমার নয়। পঞ্চান্ন হাজার বর্গমাইল সীমানার বাইরে চলে যাই। এই লাল সবুজ দূর্নীতিবাজ কাপুরুষদের। যাদের উঁচু নিতম্ব দেখলেই চেতনার দন্ড দাঁড়িয়ে সজোরে চালাতে থাকে।
অনাচার, যথেচ্ছাচারের এই লাল, এই সবুজ আমার নয়! হাজার বর্গমাইলের এই পাপভূমির এক ইঞ্চিও আমার নয়! বিন্দুআত্র আমার নয়। আমরা রাষ্ট্রের মালিক ইহা মিথ্যা কথা। ইহা যে মিথ্যা কথা তাতে বিন্দু মাত্র ভেজাল নাই। আমি বরঞ্চ রিফুজি হবো !
সুশাসন, সুআচরণ, অধিকার, গনতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধ একেকটি অশ্লীল শব্দ। এই সব গুলোই গণতন্ত্রের বর্জ্য। মাসিকের ন্যাপকিনের মতো পরিত্যাজ্য।
"ঠান্ডা মাথায় খুন করেছিল মেজর সিনহাকে" শুধু কি মেজর সিনহা এভাবেই ওসি প্রদীপ ১৪৪ টা ক্রসফায়ারে ১৬০ জনকে হত্যা করেছিল। একজন মেজর সিনহাকে হত্যা করেছে বলেই এতো কিছু কিন্তু বাকি ৫৯ জনের তো কোন হদিসেই পাওয়া যায় নিই।
চারটা গুলি হজম করে মাটিতে পড়ে কাতরাতে থাকে মেজর সিনহা। পানি চাওয়ার পরেও পানি না দিয়ে খুনি ওসি প্রদীপ বুট দিয়ে লাথি মারতে-মারতে মেজরের মৃত্যু নিশ্চিত করে। চারটি গুলির পর আরো দুটি গুলো মেরে মৃত্যু শতভাগ নিশ্চিত করে।
ইশ !
যদি জলপাই রঙের পোশাক আমার গায়ে থাকতো। যদি সৈনিক হতাম। প্রদীপদের বুট তাদের প্রভুদের পশ্চাতদেশে ঢুকিয়ে দিতাম। এর থেকে যুতশই শব্দ ও আমার কাছে আছে।
ইস! গত কালকেই ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উপর জীবন নাশের জন্য হামলা হয়েছে। এখন আশংকা জনক। সরকার দলীয় নেতা অভিযুক্ত। এমন শত শত হাজার হাজার দুর্বৃত্ত এই লাল-সবুজের মানচিত্র চিবিয়ে চিবিয়ে খাচ্ছে উলঙ্গ নৃত্য করছে।
কোটি কোটি টাকার দূর্নীতি করছে কলমের খোঁচায়। ধোরা পরলে সর্বোচ্চ শাস্তি বদলি নয়তো ওএসডি।
ওএসডি এর অর্থ হচ্ছে "অফিসার্স অন স্পেশাল ডিউটি"। অন্যান্য দেশে জনপ্রশাসনের কিছু কর্মকর্তাদের যারা অন্যদের তুলনায় বেশি দক্ষ ও যোগ্য ওএসডি'র মাধ্যমে বিশেষ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। আর আমাদের দেশে ইচ্ছা মত চুরি চামারী কর, দূর্নীতি কর তারপর ধরা পরলে ওসডি। এখন বাসায় বসে বসে টিভির রিমোট হাতে নিয়ে দাঁত কেলিয়ে হাসো। রাষ্ট্রের অন্য ধ্বংস কর। বেতন ভাতাও সময় মত চলে আসে।
এখন বলুনতো দূর্নীতি করে ধরা পরে যদি ওএসডি হয় শাস্তি তাহলে কে করতে চাইবে না দূর্নীতি?
ফেসবুক থেকে সংগৃহীত একটা অশ্লীল কবিতা দিয়েই শেষ করছি।
গদিতে পোঁদ ঠেকিয়ে বসিয়া দুর্বৃত্ত।
দূর্নীতি-দুরাচারে বিক্ষত বাংলার বুকে,
শুয়োর ছানারা করিতেছে নৃত্য।
হে শহীদ,হে পিতা এখোনো তোমরা কেন শবাধারে ?
মাটি ফুঁড়ে বেরিয়ে এসো !
তর্জনীটা একটানা টেনে রাখো ট্রিগারে !
বেয়নেটের আমূল খোঁচায় খুবলে আনো মাংশ।
হোক তোমার বেজন্মা প্রজন্মের ধ্বংস ।