বুদ্ধিমান, প্রজ্ঞান, চতুর, জ্ঞানবান, বিচক্ষণ, বিরক্তকর রকমের ধৈর্যশীল, ভুল করেও স্ল্যাং না বলা, সুন্দর করে কথা বলতে জানা, ভীষন রকম মনোযোগী শ্রোতা, মেয়েদের চিন্তাশক্তিকে, বিদ্যা বুদ্ধিকে, ক্যারিয়ারকে, স্বপ্নকে সম্মান করতে জানা, ভীষণরকম এপ্রিসিয়েট করতে জানা। যত্ন করে আদর সোহাগ করতে জানা, যত্ন করে ভালোবাসতে জানা, সেন্স অব হিউমার সমৃদ্ধ , প্রচন্ড পড়ুয়া এবং স্বীকার করতে বাঁধা নেই অর্থনৈতিকভাবে ঠিকঠাক অবস্থানে থাকা ঠান্ডা মাথার মানবিক তবে সিচুয়েশন ডিমান্ড অনুযায়ী কঠিন প্রেমিক রূপের।
পুরুষ যদি আপনাকে দায়িত্ব সমেত সহীশুদ্ধরূপে ভালোবাসে তাহলে একজন নারী হিসেবে আপনি অনেক রাগী, মাথা গরম, তেজী, জিদি হতেই পারেন। বহুত রঙ ঢং আপনি করতেই পারেন নিশ্চিতে। আল্লাদি আহ্লাদে নিজেকে উঁচু মানের শিল্পী বানাতে পারেন, বাস্তব চিন্তা না করে কল্পনার জগতে হাবুডুবুও খেতে পারেন চব্বিশ ঘণ্টা। দুচোখ বন্ধ করেই স্বপ্ন ছুঁতে পারেন অনায়াসেই। নিজেকে মনে করতে পারেন শ্রেষ্ট পারি হিসেবে। নিজেকে ভাবতেই পারেন বিশ্ব সুন্দরী। নিজেকে উপস্থাপন করতে পারেন নারী জাতির উপমা হিসেবে।
কারণ আপনি পেয়েছেন একজন মাল্টিটেলেন্টেড পুরুষ। যার মধ্যে রয়েছে মহানুভবতা, মহানুভব না হলে তো কোন পুরুষ নিজের চোখে নারীকে এভাবে দেখতে পারে না। কারন আপনাকে ভাসিয়ে রাখার জন্য ঐ ভদ্রলোক একাই যথেষ্ট। প্রশান্ত মহাসাগরের মাঝখানেও সে নৌকা হয়ে থাকবে আপনার জন্য। সারা দুনিয়া গোল্লায় গেলেও সে কখনোই নিজে না ডোবা পর্যন্ত আপনাকে ডুবে মরতে দিবে না। টাইটানিক জাহাজ ও সবাইকে ডুবিয়ে দিয়েছিল। আপনার সমস্ত অযৌক্তিক পাগলামো, জিদ, আল্লাদি আহ্লাদ, বকুনিকে সে এতোটাই পেট্রোনাইজ করবে যে আপনার নিজেরই আনন্দে কান্না চলে আসবে। নিজেকে আপনার দেবী টাইপের কিছু মনে হওয়াটাও অস্বাভাবিক না।
এমন দুজনের মত জীবন সঙ্গী কে না চায়। এমন দম্পতি হলে পৃথিবীটাকে স্বর্গ মনে হবে। স্বর্গীয় সুখ অনুভব করবে। কোন বাধা যেন আর সামনে এসে দাঁড়ানোর সাহস পাবে না।
আজকাল দম্পতিদের মধ্যে সুসম্পর্ক ভালোবাসা বড়ই অভাব। সংসারের অশান্তি যেন নিত্য দিনের। স্বামী স্ত্রীর এই সম্পর্কের তিক্ততায় ভুক্তভোগী হয় সন্তানেরা। সন্তানদের জীবন হয়ে যায় দুর্বিসহ। রাগের রেশ তুলা শুরু করে বাচ্চাদের উপর। খেতে ইচ্ছা করছে না একটু জেদ করলেই ধুমধাম মাইর খেতে হয় বাচ্চাদের এভাবেই বাচ্চারা জেদি হয়ে যাচ্ছে। বড় হয়ে উঠছে একটা অনাদরে।
এমনটা ঘটে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পরকিয়াতে জড়ালে আগের সেই মহা নায়ক বা নায়িকাকে এখন আর ভালো লাগে না। তাই সংশ্লিশ্ট কোন স্বার্থ যখন কোন সম্পর্ককে একচেটিয়াভাবে নিয়ন্ত্রন করে চলে তখন বুঝতে হবে ওই সম্পর্ক অবশ্যই একটি আদিখ্যেতা মূলক লোক দেখানো মন ভুলানো সম্পর্ক। ওটা নষ্ট বা হাল্কা কেন তা মুছে গেলেই সবচেয়ে ভাল হয়। কারণ ট্রেনে চড়ে ভূল করে স্টেশন মিস করলে পরের স্টেশনে নেমে যাওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ।