পৃথিবী যখন উল্টো মনে হয়

Words
301
Reading
2 min
Listen
Play
6y

20190118_080319.jpg

উপরের ছবিটি কেন উল্টো জানেন?
তীব্র বুকের ব্যথা হলে পৃথিবীটা উল্টো মনে হয়।

তীব্র বুকের ব্যথা কি জানেন?
কেউ কোনদিন তীব্র বুকের ব্যথায় ভুগছেন?
এই ব্যথা যার হয়, সেই বুঝে এই ব্যথার কি যন্ত্রণা 😢

বাহিরের হাসি মুখে চেহারা দেখে কাউকে বুঝার উপায় নেই, একজন লোক কতো তীব্র যন্ত্রণা নিয়ে কাতরাতে কাতরাতে নিজের সাথে লড়াই করে যাচ্ছে!! বাহিরের অবস্থা দেখে বুঝার উপায় নিই ভিতরের যন্ত্রনা তাকে কি করে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে।

মানসিক অশান্তি, প্রিয়জনদের তীব্র অবহেলা, চরম তাচ্ছিল্যের শিকার, অপমানজনক পরিস্থিতির শিকার, পারিবারিক অবহেলা, পারিবারিক অশান্তি, অর্থনৈতিক চাপ সব মিলিয়ে যে ব্যথা সঞ্চারিত হয় সেটার তীব্রতা কখনো উনুভোব করেছেন? একমাত্র ভুক্তভোগীই জানে এই ব্যথার তীব্রতা।

কে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখে না?
একজন খুঁজে বার করে দিতে পারবেন?
মেডিক্যালের বার্ন ইউনিটে ৫০% ঝলসে যাওয়া মানুষটিও অসহ্য ব্যথা যন্ত্রণা নিয়ে বাঁচতে চায়। ক্যান্সারে আক্রান্ত লোকটিও চায় আরো কিছু দিন বাঁচতে। সবাই বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখে। চারিপাশে হেসে খেলে যারা থাকেন, তাঁদের মতো হাসিখুশীতে থাকার বাসনা প্রত্যকেই ধারণ করে। কিন্তু, সবার কপালে কি তা জুটে? সবাই কি তা পারে?

এই যন্ত্রণা কতো ভয়াবহতা কত গভীর হলে, কতো ভয়ানক হলে, হৃদয়ে কতটা রক্তখরন হলে বলতে বাধ্য হতে হয়-

"মৃত্যু মানে বেঁচে যাওয়া"।

আর অনেকেই এই যন্ত্রনা থেকে বেঁচে যেতেই মৃত্যুর পথ বেছে নিচ্ছে। করছে আত্মহত্যা। জীবনের পরাজয় মেনে নিয়ে সমাজটিকে অপরাধী করে চির বিদায় নিচ্ছে আমাদেরেই আশে পাশে আমাদেরেই কত আপন জন।

তবে মৃত্যুর দিকে ক্রমান্বয়ে এগিয়ে যাওয়ার নামেই হচ্ছে জীবন। এর মধ্যে আনন্দ থাকবে, বেদনা থাকবে, বিব্রতকর পরাস্থিতি থাকবে সব কিছু নিয়েই জীবন। তবে বুকে ব্যথা তীব্র হলে?

জি আমাদের এই সিস্টেমকে ভেঙ্গে চুরমার করে দিতে হবে। এই সিস্টেম ভেঙ্গে চুরমার করে নতুন করে সাজাতে হবে। বৈষম্য হীন সমাজ গড়তে হবে। অধিকারের কাটা গুলো সময়ের কাটার মত সমান করে ভাগ করতে হবে।

জীবনটাকে সহজ করতে হবে। সব জটিল প্রক্রিয়া থেকে বাহির হয়ে আসতে হবে। স্বার্থপরতার সমাজটিকে ভেঙ্গে ফেলতে হবে। এগিয়ে আসতে হবে আমাদের সকলকে।

20190118_075939.jpg

পৃথিবী যখন উল্টো মনে হয় | Ecency