HIVE VS FB

Words
561
Reading
3 min
Listen
Play
6y

20200722_113038.png

এপ্রিলের ১৭ তারিখের পর থেকে কোচিং পুরোটাই বন্ধ। কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারও বন্ধ ছিল। এখন ট্রেনিং সেন্টার খোলা। কিন্তু তাতে লাভ কি? মানুষের পেটে ভাত জুটছে না কম্পিউটার কখন শিখে। আমার পকেটের স্বাস্থ্যের অবস্থা নিশ্চয়ই বুঝতেই পারতেছেন।

ফেবুকের পোকা ছিলাম কিন্তু এখন ফেসবুকে কম সময় দেই। আগে যা টুক টাক লিখতাম। সেটা এখনো লেখি তবে ফেসবুকে না। অন্য একটা সার্ভারে। তাতে লিখে টুক টাক ধান্দাও হয়। ধান্দা আবার খারাপ ভাবে নিয়েন না। কিছু ইনকাম হয় এই আর কি। আমার পাতলা মুখে কিছু বলে দিয়ে ফ্রি ফ্রি তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা খাওয়ার থেকে হাইভে কিছু লিখা ভালো।

নিচের যে মাসুম বাচ্চাটার ছবি খানা দেখতেছেন সেই ছবি দিয়ে একটা ব্লক লিখেছিলাম। সেখানে কিছু টাকা পাইছি। আমার এমবি কিনার টাকাও হয়ে গেছে।

এইসব বলার কারণ হইলো তোমরা ফেবু একবারে ফ্রি করে দাও আর টাকা দিয়া কর তাতে আমার কিছু আসে যায় না। এর থেকেও জঘন্য জঘন্য কাজ হইতেছে এর বঙ্গ দেশে। শুনলাম ফেবু নাকি ফ্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কেউ আবার ভাবিয়েন না ফ্রি ফেবু বন্ধ থাকায় মেয়ে মানুষের মত আমিও গায়েব হয়ে গেছি। তা আমি কখনো ফ্রি ফেবু চালাইতাম না। আর বন্ধ করলেও সমস্যা নাই। আমি এখন ফেবুতে কম থাকি 🤣

বিষয়টা হইতেছে ছবির ক্যাপশন খুইজা পাইতেছিনা। তাই এতো কিছু বলা।
20200722_113747.jpg

উপরের লেখা গুলো লিখছিলাম আমি আমার ফেসবুক আইডিতে। সেখানে বেশ কিছু লাইক কমেন্টস পরেছে। খুব আফসোস হচ্ছিল এইসব দেখে আহা যদি এগুলো হাইভের মত ডলার পাওয়া যেতো। এই আফসোস করতে করতে বাসার যাচ্ছিলাম।

ইতিমধ্যেই প্রকৃতির ডাক একটু জোরে সরেই পরেছে। দাদা বাবুদের মত তো আর যেখানে সেখানে ধুতি উঠিয়ে বসে পরবো আর লোটা নিয়ে কেউ পাশে দাড়িয়ে থাকবে তা তো হয় না।

সহ্য হচ্ছিল না তাই মনে মনে সূর তুলেছি -
হা-গা-লে-গে-ছে
চাপেচাপে থাক, চাপেচাপে থাক
আর মানছে না আর মানছে না
দৌড়েদৌড়ে যা, দৌড়েদৌড়ে যা।

বাস বাসায় পৌছে এদিক সেদিক না দেখে সোজা ছোট রুমে। আহা কি শান্তি, "ভোগ নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ।"

তারা হুরো করে ফোন সহ চলে গেছি। ঠিক সেই সময় ফেবু এর নটিফিকেশন টং টং টং করে ঢোকা শুরু। কি বিব্রতকর বলুন। কোন মতে ফোনটা সাইলেন্ট করে নটিফিকেশন চেক করে দেখি আমার উপরের ফেবু পোস্টে এক মধু ওয়ালা কমেন্টস করেছে,

"মধু খেয়ে ছেলেটার চেহারাটা কি উজ্জলতায় না ফিরে এসেছে, জল জল করছে।"

আমিও দেরি না করে রিপ্লাই ঠুকে দিলাম "শালা বাটপার, তোর ভেজাল মধু খেয়ে ছোটরুমে বসেই তোকে রিপ্লাই দিতে হচ্ছে। সেই কখন থেকে এখান থেকে বার হওয়ার প্রহর গুনছি।"

সেই হুমুর্তে কিছুক্ষণের জন্য হাড়িয়ে গিয়েছিলাম সেই কমেন্টস গুলোতে যারা বিভিন্ন লাইভ প্রোগ্রাম গুলোতে গিয়ে বলে ঢাকা হতে দেখছি, চট্টগ্রাম হতে দেখছি সেখানে দু একজন আবার বলেও টয়লেট হতে দেখছি। চিন্তায় পরে গেলাম সত্যিই তো বেটারা তাই করে।।

তবে যাই হোক ফেসবুকটা এখন হয়ে গেছে ই-কমার্স সাইট। শুধু এডভার্টাইজ আর এডভার্টাইজ। জাঙ্গিয়া থেকে শুরু করে এমন কিছু নাই যে সেখানে এড পাওয়া যায় না। নিজের টাকায় এমবি কিনে অন্যের জাঙ্গিয়া আর বেলুনের এড দেখতে দেখতে পুরাই ক্লান্ত। এর থেকে আমার হাইভ শত গুন ভালো। তবে কিছু ভাই ব্রাদারদের ভালোবাসার টানে আর তাদের তথ্যে ভিত্তিক লেখনীর মায়ায় ফেবুটা ছাড়তে ইচ্ছা করে না। খুব শীঘ্রই বিডি কমিউনিটিতেও ভাই ব্রাদারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। ফেসবুকে শুধু সময় অপচয় হয়। আর হাইভে সময় অপচয় করে ফায়দা আর ফায়দা 😛

দিন শেষে পাওয়া গেলো ফেসবুক টয়লেটে বসে চালানোর সংখ্যা কম না। দেশী ভাষায় হাগুরা মুতুরা সবাই চালায়। অন্য দিকে হাইভ শুধু মাত্র স্মার্ট রাই চালায়। যারা চা আর কফির কাপে চুমুক দিয়ে দিয়ে আর্টিকেল তৈরী করে। সবাই জীবনে কিছু করার কিছু গড়ার স্বপ্ন দেখে। পরিশ্রম করতে দিধা নেই তারাই হাইভে থাকে। আমি পরিশ্রমিদের দলে 😍

HIVE VS FB | Ecency