সরকার বড় বড় দুঃখের ঘটনার পর পরেই চেক এন্ড ব্যালেন্স করার জন্য একটা করে হাসির ঘটনা ঘটায় দেয়।
লঞ্চ ডুবির পর ১৩ ঘন্টা পানির নিচে আড্ডা দেওয়া সুমন বেপারীকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। আড্ডার সময় কে কে ছিল। কি কি খেয়েছে। পকেটে বিড়ি ছিল কিনা? তাকলেও বিড়ি কোন কোম্পানির ছিল। এসব জানার জন্য হলেও একটা তদন্ত কমিটি করার দরকার। তাছাড়া ১৩ ঘন্টা পর তার এই ফুটফুটে চেহারার রহস্য বার করার দরকার। কোন কোম্পানির কসমেটিক্স ব্যবহার করেছে।
রানা প্লাজা ধসের ঠিক ১৭ দিন পর রেশমাকে উদ্ধার করা হয়েছিল।
এই রেশমা উদ্ধারের নাটক ঘটিয়ে যেমন শত শত লাশের শোক জাতিকে নিমিষেই ভুলিয়ে দিয়েছিল ঠিক তেমনেই সুমন ব্যাপারি একটা চরিত্র যা কিনা সহজেই জাতিকে লাশের গন্ধ গুলো ভুলিয়ে দেয়।
যাক ভালোই তো জনগণের এতে এতো মাথা ব্যাথা কেন? শুধু যারা পরিবার তার স্বজনদের হাঁড়িয়েছে তারাই শোকাহত হবে। আর সাথে তো পাচ্ছেই দেড় লাখ টাকা। খুশি থাকো বাঙ্গালী খুশি থাকো।
পাবলিকও খুশি হোন। ওদের আছে হুডিনি, কপারফিল্ড, জনি সিন্স, মিয়া খলিফা আমাদের আছে রেশমা-সুমন। 😒
সেই রেশমা নাটকের নায়ককে প্রায় ৭ টি বছর পর খুঁজে পেয়েছে। তাই তো রেশমা ৭১ টিভির নিউজে সুমনকে দেখে গাইছে গান -
"আমি চিনি গো চিনি, তোমারে"