করোনা কালীন সময়ে সোশ্যাল ডিসটেন্স বজায় রাখতে বাই সাইকেলের ব্যবহার

Words
403
Reading
2 min
Listen
Play
5y

আগে মুরুব্বিরা বলতো বাই সাইকেল চালালে নাকি ভবিষ্যৎ ছোট হয়ে যায়। ভবিষ্যৎ মানে আবার সেই ভবিষ্যৎ না। কারো বুঝতে হলে আমাকে পরে জিজ্ঞাসা করিয়েন। কিন্তু তারা জানতো না আজকাল সাইজ ডাজেন্ট ম্যাটার। চালক দক্ষ হলে যে কোন গাড়ি চালায় নিতে পারে।

যে কথা বলতে চাচ্ছিলাম বাই সাইকেল। আজকাল বাই সবাইকেল তো মানুষ ব্যবহার করায় ভুলে গেছে। সোশ্যাল স্ট্যাটাস মেইনটেইন করাটা যে আমাদের খুব জরুরী হয়ে পরেছে আজকাল। এই সোশ্যাল স্ট্যাটাস মিলাতে গিয়ে কিন্তু আমরা বহুগুনে পিছিয়ে গিয়েছি। সাধ্যের বাইরে গিয়ে চলার চেষ্টা করি। পাছে লোক কি বলবে এই রোগে ভুগি। আমাদের হো*য় তেল না থাকলেও ফুটানি মারাতে হবে। কারন আমরা বাঙ্গালী বীরের জাতি।

সব কিছু ফেলে রেখে একটা সাইকেল কিনে ফেলুন। করোনার প্রকোপ যে হরে বাড়ছে। অন্তত করোনাকালীন সময়ের জন্য হলেও বাই সাইকেল কিনে ফেলুন। গণপরিবহনের তোয়াক্কা করার দরকার নেই। এই ধরেন অটো রিক্সা গুলোতে ছয় জনের কম বসানো হয় না। সেখানে সোশ্যাল ডিসটেন্সতো দুরে থাক একজনের বগলের বাদবু শুঙতে শুঙতে আপনাকে আপনার গন্তব্য স্থলে যেতে হবে। ঢাকা শহরের তো কথায় আলাদা। বাসে উঠলে জ্যামে পরেই ঘন্টার পর ঘন্টা পার। এর থেকে ভালো একটা সাইকেল। জ্যাম দেখলেই আপনি ঠিক পাশের কোন চিপা চাপা ছোট অলি গলি দিয়ে ঠিকেই সময় মত পৌছে যাবেন আপনার গন্তব্য স্থলে। অলি গলি আপনাকে আপনার দরজা পযর্ন্ত ঠিকেই পৌছায় দিবে। এমনিতেই ফুটা আর চিপা চাপা গলির জন্য দুনিয়া পাগল।

তাছাড়া তেল গ্যাস জালানীর খরচের বালাই নেই, মেন্টেইনেন্সখরচও নেই। সাইকেল চালালে আপনার ব্যায়ামের কাজটাও হয়ে যায়। রোগ প্রতিরো শক্তিটাও বেরে যায় যা এই সময়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন। সোশ্যাল ডিসটেন্সিং মানাটাও সহজ হয়ে যায়। যা করোনার সাথে লড়াইয়ের জন্য খুব দরকার।

চিন কোরিয়া সহ বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে সাইকেল চালিয়ে তারা তাদের অফিস করে। তারা কখনো মনে করে নিই এতে তাদেরে সোশ্যাল স্ট্যাটাস কমে গেছে। আর আসলেও তাদের কোনদিন সোশ্যাল স্ট্যাটাস তো কমেও যায় না। বরং তারা দিনকে দিনে উন্নতির চূড়ায় চলে যাচ্ছে।

আরেকটি বুদ্ধি আমার মাথায় খেলছে। আসলে বুব্ধি বা প্রস্তাব যেকোন ভাবেই নিতে পারেন। সরকার চাইলে ভিআইপি লেন গুলো সাইকেলের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে পারেন। আমাদের মাননীয় সেতু ও যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রতিদিন ওনার অফিসে বসে থাকার, বাগানে হাটার, হাতে ঘড়ি দেখার পস দিয়ে ছবি তুলে সেববুকে পোস্ট করে। হাজার হাজার লাইক কমেন্ট পরে। উনি চাইলেই একটা বাই সাইকেল সাথে ওনার বাগানের একটি গোলাপ হাতে নিয়েই সুন্দর করে পস দিতে পারে। এতে উনি যে একজন ট্রু লাভার হাতে গোলাপ তার প্রমাণ করবে। তাছাড়া ওনাকে বাই সাইকেলে দেখে ওনার ভক্তকুল বাই সাইকেল চালাতে অনুপ্রাণীত হবে। তাছাড়া উনি কি কারনে করোনার থেকেও শক্তিশালী এই রহস্যটাও জাতি জানতে পারবে।

images (3).jpeg

Source

করোনা কালীন সময়ে সোশ্যাল ডিসটেন্স বজায় রাখতে বাই সাইকেলের ব্যবহার | Ecency