আমরা এক অদ্ভুত সিস্টেমের মধ্যে আছি। যেখানে জীবনের কোন মূল্য নেই।
যেখানে পুরো বিশ্ব করোনা ভাইরাসের কারনে দিশেহারা সেখানে আমাদের চলছে ফাজলামি।
আমাদের নীলফামারী জেলায় বেশ কয়েকদিন ধরেই করোনার সন্দেহ রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে অথচ কোন রিপোর্ট দিচ্ছে না। গত কাল ৯ জুন রাতে ৩ ও ৪ জুনের নমুনা সংগ্রহের রিপোর্ট আসছে। তার মধ্যে ২৯ জনের পজিটিভ। এইভাবে কি আসলেই এই মহামারিকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে?
এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই রির্পোট গুলো এতোদিন পর নিয়ে কি করবো?
আচ্ছা করোনার টেস্টের রিপোর্ট যদি ৭-৮ দিন পর পাওয়া যায় সেই রিপোর্টে আমাদের কি কি উপকারে আসতে পারে ?
আচ্ছা ঐ রিপোর্ট টা কি পানিতে গুলায় করোনা রোগীকে খাওয়ালে ভালো হবে ?
যিনি মারা যাচ্ছে ওনার হয়তো কোন উপকারে আসবে, তাই না?
আচ্ছা @Shuvo35 আপনি তো পেশায় একজন ডাক্তার। আপনি তো অবশ্যই আমাদের থেকে ভালো জানেন এই বিষয়ে।
শুনেছি র্যাপিড টেস্ট কিট রক্তের এন্টিবডি টেস্ট করবে। অামার হিসেবে বর্তমানে করোনা শরীরে সেই পরিমান ছড়িয়ে না পড়লে কারো উপসর্গ পর্যন্ত দেখা দিবে না, সেক্ষেত্রে র্যাপিড টেস্ট কিট দিয়ে ৩ ঘন্টায় অনায়াসে তার রেজাল্ট পাওয়া কি যাবে না?
তাছাড়া সরকার জনস্বাস্থ্যের কীটকে অনুমোদন দিচ্ছে না কেন? এর কি অন্য কোন কারণ আছে?