হ্যালো বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন আশা করছি অনেক ভালো।। আল্লাহর রহমতে আমি অনেক ভালো আছি। আর আপনারা ভাল থাকুন এই দোয়াই শুরু করছি আমার আমার আজকের লেখা লেখির কিছু অংশ। আমি প্রতিদিনই আপনাদের মাঝে কিছু না কিছু শেয়ার করে থাকি। আমি প্রতিদিন অন্তত চার থেকে পাঁচটি করে পোস্ট শেয়ার করে থাকি আপনাদের মাঝে। শুধুমাত্র ঋণী নিজের জীবনকে উন্নত সুখ এবং সমৃদ্ধ করার জন্য।কেননা আপনি যদি নিজের জীবনে চলার পথে সুন্দর এবং সুগঠিত করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই পরিশ্রমী হতে হবে। পরিশ্রমই ছাড়া কখনো নিজেকে উন্নতি করা সম্ভব নয়।
স্মৃতি যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন এটি আমাদের দেশের একটি অতি জনপ্রিয় এবং সুস্বাদু ফল জাম। এটি সাধারণত মৌসুমী ফল হিসেবে পরিচিত।
জাম সাধারণত একটি ছোট ফল। এটি দেখতে কালো রঙের হয়ে থাকে। জাম সাধারণত তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত থাকে।
**ছোট অবস্থায় যা দেখতে সবুজ রঙের হয়ে থাকে
**দ্বিতীয়তঃ অবস্থা হচ্ছে একটু গোলাপি কালারের মত দেখা যায়
এবং সর্বশেষ অবস্থান হচ্ছে জাম উপযুক্ত বয়স হয়ে যখন রেগে যায় তখন জামের কালার এর পরিবর্তন ঘটে।।
জাব একটি অত্যন্ত সুস্বাদু এবং জনপ্রিয় ফল।
হিজাবের রয়েছে নানাবিধ শারীরিক উপকার এবং মর্যাদা।।
আপনি যদি প্রতিদিন একটি থেকে 2 কেজি জাম খেতে পারেন কিংবা কিছু পরিবারের জাম খেতে পারেন তাহলে আপনার রক্ত থেকে দূষিত পদার্থ বের হয়ে যাবে এবং আপনার রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করবে।যার ফলে আপনার বিভিন্ন ধরনের রক্ত বাহিত রোগ ব্রণ থেকে আপনি মুক্তি পাবেন এবং আপনি খুব সুন্দর ভাবেই নিজেকে মুক্ত মনের মানুষ হিসেবে পরিচিতি করতে পারবেন।
মৌসুমী ফল হয় যাদের উপকারিতার কথা বলে শেষ করার মতো নয়।
বন্ধুরা সৃতির যে ছবিটি দেখা যাচ্ছে এটি আমার নিজের মোবাইলে থেকে সংগ্রহীত করা একটি ফটো।আমি যখন গতবার ঈদে আমাদের নিজের দেশের বাড়িতে বেড়াতে যাই সেখানে গিয়ে আমাদের তাদের গাছে দিকে তাকে আমি দেখতে পেলাম কিছু সংখ্যক জান কাল রঙের হয়ে আসে। এর মানে হচ্ছে জান গুলো পেকে গেছে।।
সুতরাং আমি আর দেরি করলাম না আমি এবং আমার চাচাতো ভাই এক সাধু দুজনা গাছে ওঠে জাম পাড়া শুরু করলাম এবং অনেকগুলো জাম খেতে থাকলাম।।
আমার ছোট দুইটা চাচাতো বোন আছে সেগুলো কে আমাকে বলতে থাক ছিল ভাইয়া আমাকে একটা দাও ভাইয়া আমাকে একটা দাও এবং আমি তাদের সাথে অনেক মজা করছিলাম।
ঐ
উপরে যে তিনটা চিত্র দেখানো হয়েছে চিত্র গুলো একটু আপনি ভালো ভাবে দেখলেই বুঝতে পারবেন যে আমি কত বড় ভয়ঙ্কর একটা আশঙ্কার মধ্যে ছিলাম। কেননা আমি মাটি থেকে প্রায় 200 মিটার উপরে ছিলাম।
এবং তার পাশেই ছিল ইলেকট্রনিক্স এর মূল নাই লাইন যেখান থেকে আমাদের পুরো এলাকাতে বিদ্যুৎ সাপ্লাই দেওয়া হয়।আমি কোন প্রকার ভয় না করে নিজেকে একটু সাহস দেখে গাছে উঠলাম এবং জাম খাওয়া শেষে আবার পুনরায় নেমে এসে নিজের কাজ শুরু করলাম।।
আর হা বন্ধুরা এই ছিল আমার আজকের যাবে এবং আমার চিত্র নিয়ে কিছু সংখ্যক আলোচনা
চাইলে আমাকে আপনি মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন
Aman ki khoj arthi karna
অথবা চাইলে আপনি আমাকে এখান থেকেও অ্যাক্টিভ করে নিতে পারেন।
এই ওয়েবসাইটটিতে আমাকে সব থেকে যে বেশি উপকার করেছে তাদের দুজনের নাম আমি আপনাদের সামনে আজ ভুলে যাব যদি উপকার হয় তাহলে অবশ্যই তাদেরকে
এতক্ষণ সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।।
ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন সুন্দর থাকুন।