Story455189

srvoter(41)
Published in
#story
Words
286
Reading
2 min
Listen
Play
8y

গল্প :ছোয়া
মেয়ে:- এই যে পিচ্চি,এই যে পিচ্চি ভাই।
ইভু:- আশেপাশে না তাকিয়ে চলছে।
মেয়ে:- ঐ পিচ্চি ছেলে,দাঁড়ান একটু। ইভু:- যাচ্ছে তো যাচ্ছে।
মেয়েটা বাধ্য হয়ে সামনে আসে দ্রুত।
মেয়ে:- ঐ মিয়া ডাকতেছি তো শুনেন নাই?
ইভু:- আপনি অভদ্র কেন?
মেয়ে:- অভদ্র মানে? ইভু:- অপরিচিত কাউকে পিচ্চি ছেলে বলে ডাকে
নাকি?
মেয়ে:- আপনি পিচ্চি বলেই তো বলেছি।
ইভু:- পাশে দাঁড়ান তো দেখি।।।।এ্যাহ্ আপনি তো
আমার চেয়েও পিচ্চি।নিজে পিচ্চি হয়ে আরেকজন কে পিচ্চি বলেন কেন?
মেয়ে:- আপনি পিচ্চি তো পিচ্চি।
ইভু:- ললিপপ খাবেন?
মেয়ে:- মানে?
ইভু:- ছোট মেয়েরা ললিপপ খায়।কারন আইন্নে পিচ্চি মেয়ে।
ইভু চলে যায়,কারন মেয়েটা অপরিচিত।
......
বিকেলবেলা ছাদে যায় ইভু।বাম হাতে সিগারেট ডান
হাতে ক্যান।তখনি মেয়েটা ছাদে আসে।আর ইভু সিগারেট টা নিভিয়ে দেয়।
মেয়ে:- হাই পিচ্চি!!!
ইভু:- -------
মেয়ে:- এই যে পিচ্চি খোকা বাবু।
ইভু:- চুপ। মেয়ে:- এই যে মিস্টার ছোট বাবু।
ইভু:- রাগ রাগ মোডে ইভু।(এই সময় ইভুর বন্ধুর কল
আসে)
ইভু:- এই দোস্ত পাবনার পাগলা গারদে একটা পাগলি ভর্তি
করমু। বন্ধু:- ঐ তুই কি কস?হঠাৎ এটা বলিস কেন?
ইভু:- আমি যেখানে থাকি ওইখানে ছোট একটা পাগলি
আছে।অসহ্য করে তুলেছে।
((মেয়েটা রাগে ফুসকার মতো ফুলতেছে))
বন্ধু:- শোন তুই এক্ষুনি রহিম মামুর দোকানে আয়। ইভু:- আইচ্ছা আইতাছি।তুই পাগলিটারে পাগলা গারদে ভর্তি
করার ব্যবস্থা করিস।
ফোনটা কেটে দেয়।
মেয়ে:- হ্যালো মিস্টার শুনেন।
ইভু:- শরীর জ্বালানোর মতো একটা গান গায় ইভু:--- "ওই পাগলি তোর লম্বা কেশ
দেখে মনেহয় ঘোড়ার লেজ,
হইছে মনেহয় নতুন পাগল
তাড়াতাড়ি পাবনা চল।"টা টা
মেয়ে:- এই মিয়া শুনেন,হাই হ্যালো---ধুর। ....
ইভু এবার রহিম মামুর দোকানে যায়।
ইভু:- বন্ধু কি জন্য ডেকেছিস?
বন্ধু:- কাল সকালে ক্রিকেট ম্যাচ আছে।তুই খুব
সকালে মাঠে চলে আসিস। ইভু:- ঠিক আছে।আমি এবার যাই রে,বেশি লেট
করলে আপু বকবে।

ইভু যেখানে থাকে সেটা ইভুর বোনের বাসা।
আর মেয়েটা থাকে ঠিক ৫-৬হাত দূরে দক্ষিনে অন্য
একটি বাসায়।<<< বাসায় যওয়ার পর:---
আপা:- কোথায় ছিলে ভাইয়া?
ইভু:- একটু বাইরে ছিলাম।
আপা:- কেন ভাইয়া?
ইভু:- ((কথায় আছে না ঝড় হওয়ার আগে পরিবেশ ঠান্ডা থাকে।তেমনটা ইভুর বোন আজ এত সুন্দর
করে কথা বলছে, এর মানে ইভুর কপালে খারাপ কিছু
আছে))আপা একটু বাইরে চা খাইতে গিয়েছিলাম।
আপা:- ঐ তোরে বলছি না সন্ধার পর বাইরে যাবি না।
আর বাসায় চা নেই নাকি?দাঁড়া আমি আব্বাকে কল দিয়ে বলছি সবকিছু।
((ইভুর গুরুজন দুলাভাই বাইরে থেকে আসে।ইভুর ঝড়
ফেরানোর দেয়াল এসেছে।))
দুলাভাই:- কি হইছে ইভু?
ইভু:- একটু বাইরে গিয়েছিলাম বলে আপা বকতেছে। দুলাভাই আপনিই বলেন তো আমি কি এখনো ছোট
আছি?
দুলাভাই:- বুঝি না ঝর্না তুমি ইভুকে বকছো কেন?ও

এখন বড় হইছে তো।ওর তো স্বাধীনতা আছে,
তাই না! আপা:- তুমি চুপ করো।এ্যাহ্ বেশি আদর দিয়া বান্দর
বানাইতাছো।এতে আমার বাপের ক্ষতি হবে।
দুলাভাই:- ইভু তুমি গিয়ে পড়তে বসো যাও।
ইভু:- আইচ্ছা।
খুব জোর বাঁচা গেলো।দুলাভাই মানেই শক্ত সাপোর্ট। কি আর করার মেয়েও বলে পিচ্চি,আর
বড় বোন বলে এখনো নাকি ছোট ইভু।উফ্
অসহ্য,উমমমম্ তবে ছোট হয়ে থাকার মধ্যে শান্তি
আছে।যা পরের পর্বে পাবেন----------

২য় পর্বের অপেক্ষায় থাকুন।