মাঝেমধ্যে মনকে কিছুটা আনন্দ দেওয়ার জন্য একটু এদিক সেদিক ঘুরাঘুরি করা প্রয়োজন। তাই মাঝেমধ্যে সময় সুযোগ পেলে ঘুরতে বেরিয়ে যায় তারই ধারাবাহিকতায় এবারে গেলাম নদীর ধারে ঘুরতে। নদী আমার অনেক ভালো লাগে নদীর কাছে গেলে মন এবং শরীর দুটোই চাঙ্গা হয়ে ওঠে। নদীর বিশালতা মনকে আরো বিশাল করে তোলে। এবং সাগরের শীতল বাতাসে মনকে প্রফুল্ল করে তোলে।
নতুন করে কাজের উদ্যোগের জন্য মনকে প্রশান্ত করে তোলে নদীর হিমেল হাওয়া। এজন্য অবসর সময় পেলে মাঝেমধ্যে নদীর ধারে ঘুরতে যায়। মাঝেমধ্যে নদীর ধারে ঘুরতে গেলে সেখান থেকে মাছ নিয়ে আসে পরিবারের জন্য। নদীর ধারে বাজার বসে সেখানে নদীর তাজা মাছ পাওয়া যায়।তাজা মাছের দাম একটু বেশি হয়ে থাকে। নদীর মাছের স্বাদ এ যেন এক অন্যরকম। একেক মাছের সাধ একেক রকম হয়ে থাকে।
নদীর ধারে ঘুরতে গেলে যেমন আনন্দ লাগে তেমনি কিছু ব্যথা অনুভব হয় মনে। ব্যাথা অনুভব হয় মূলত নদীর পাড়ের মানুষের জন্য। তারা কতনা কষ্ট করে তাদের জীবন অতিবাহিত করে সংগ্রামের মাধ্যমে। তাদের জীবন অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হয়ে থাকে। হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে নদীর সাথে পাল্লা দিয়ে তারা মাছ শিকার করে, মাছের পোনা শিকার করে এবং কৃষি কাজ করে তাদের জীবন ও জীবিকা নির্বাহ করে।
পরিবারের সকলের সাথে ঘুরতে দিয়ে অনেক মজা লাগলো। মাঝেমধ্যে একটু ঘুরতে গেলে মনটা শান্ত হয়ে ওঠে নতুন করে কাজের স্পৃহা জাগে। নদীর পাড়ের প্রকৃতি অনেক সুন্দর হয়ে থাকে। এখানে বিভিন্ন ধরনের ডিঙ্গি নৌকা ⛵ ছোট-বড় মাছ ধরার নৌকা একটি মালবাহী নৌকা দেখতে পাওয়া যায়। নদীর মে কি এক অপরূপ মায়া যা মানুষের মনকে তার নিজের দিকে আকৃষ্ট করে তোলে।
নদীর ধারে ঘুরতে গিয়ে আমরা বিকেলে নাস্তা করতে গেলাম ছোট্ট একটি হোটেলে যেখানে তারা বিকেলের নাস্তার জন্য আয়োজন করেছিল পরোটা, ডিম পরোটা, পুরি এবং তার পাশের ছোট্ট একটি টংয়ের দোকানের ছিল ফুচকা এবং চটপটির আয়োজন।আমি এবং আমার বাবু চটপটি গেলাম এবং তার বাবা ডিম পরোটা খেলো সাথে একটি চা। তবে চরাঞ্চলে খাঁটি গরুর দুধের চা পাওয়া যায় যার স্বাদ এবং গ্রাণ সত্যিই অতুলনীয়। যা কেবলমাত্র চরাঞ্চলে এবং নদীমাতৃক এলাকায় পাওয়া যায়।
বিকেলে প্রায় দুই ঘণ্টা ঘুরাঘুরির পর সন্ধ্যার ঠিক পূর্ব মুহূর্তে আমরা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। দীর্ঘ তিরিশ মিনিট সিএনজিতে করে আমরা বাসায় ফিরে আসলাম। আসার সময় গ্রামের রাস্তা নান্দনিক দৃশ্য আমাদের চোখে পড়লো। যা উপভোগ করতে করতে আমরা বাড়ি আসলাম। বাড়িতে আসো আমরা পড়বেন না আমাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে প্রতিদিনের কাজকর্ম শুরু করে দিলাম। গতকালকের দিনটি ছিল অত্যন্ত আনন্দের। এরকম ঘুরতে পারলে মাঝেমধ্যে খুব ভালো লাগে।
আর এখান পর্যন্ত আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম আমার কত কালকের বিকেলের ঘটে যাওয়া আনন্দ মুহূর্তের কথা। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। যদি ভালো লাগে তবে আমাকে সাপোর্ট করবেন। এবং পাশে থেকে নতুন করে নতুন ভাবে নতুন আঙ্গিকে নতুন কিছু আপনাদেরকে উপহার দেওয়ার জন্য উৎসাহ দেবেন। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এ বলে আজকে আপনাদের থেকে বিদায় নিলাম। আল্লাহ হাফেজ।