মরার উপর খাঁড়ার ঘা, শাপে বর ও অন্যান্য।

Words
262
Reading
2 min
Listen
Play
4y

Almost 12 a.m., I was in bed getting ready to sleep my eyes out after a tiring day of morning rounds and scorching heat. As the clock struck 12, my phone rang. It was the CA of my ward.

"ভাই আপনি কই?"

"এইত ভাই ঘুম যামু।"

"ভাই, আপনার না আজকে নাইট। ওয়ার্ড তো খালি।"

"আ্যঁহ?!"

"ভাই রোস্টার টা একটু দেখেন।"

And right he was! I was supposed to be on night duty. হালায় মনডা কি করতে চায়!

ততক্ষণে ডিউটির ৩ ঘন্টা অলরেডি পগারপার! ড্রেস চেঞ্জ করার ও টাইম নাই। পড়নে যা ছিল সেভাবেই ছুটলাম মেডিকেলের দিকে।

অর্ধেক রাস্তা গিয়ে খেয়াল হল ডক্টর'স রুমের চাবি তা তো নিতে ভুলে গেসি তারাহুরোতে!

ধুস্ শা........!

আগে মেডিকেলে গিয়ে CA সাহেব কে ফোন দিয়ে শান্ত করলাম। এরপর গন্তব্য আজিজ সুপারমার্কেট। উদ্দেশ্য কলিগ একজন থেকে রুমের চাবি টা ধার করে আনা।

অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে শেষমেশ রুমে গিয়ে দেখি একগাদা হ্যান্ডওভার পরে আছে। কি আর করা, এক এক করে হ্যান্ডওভার এর কাজ শেষ করতে করতেই বাকি রাত অর্ধেক কাভার। একটু গা এলিয়ে দিতে নিলেই দরজায় ঠক ঠক, কারো পেট ব্যাথা, কারো শ্বাস কষ্ট, কারো বা ঘুম নেই।

তো উনাদের ঘুমের ব্যাবস্থা করে দিয়ে এসে নিজের আর ঘুমানোর ফুসরত নাই। একটু পরেই সকাল হয়ে যাবে। শুয়ে শুয়ে মোবাইল ঘাটতে ঘাটতে ভাব্লাম একবার বাইন্যান্সে একটু ঢুঁ মেরে দেখি।

গিয়ে দেখি হাইভ বাবাজি তার কেরামতি দেখাচ্ছেন! আমিও বাবার কেরামতির স্পাইক ধরে আমার মেডিকেল থেকে মাসিক স্যালারি যা পাই তার অর্ধেক কামিয়ে নিলাম ১০ মিনিটে।

ভাবতেই পারতাম, কেন এত কষ্ট করে ডাক্তারি করছি। না, আমি সত্যিই তা ভাবি নাই। ভাবলাম, যাক ভালোই হলো জাগা ছিলাম, হাইভ বাবাজিতর কেরামতি টা দেখা হয়ে গেলো!

1654776365860.jpg

মরার উপর খাঁড়ার ঘা, শাপে বর ও অন্যান্য। | Ecency