একটা সময় ছিল, নিজ একালায় এক সাথে ৩টা বা ৪ টা ক্রিকেট ম্যাচ এক সাথে খেলা হতো। মানে এলাকার ছেলে মেয়েদের খেলার জয়গার কোন অভাব ছিল না। আমরা সবাই জানি খেলাধুলা মানুষকে শারীরিকভাবে ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখে। আমরা এটাও জানি এইসব সুস্থতার জন্য খেলার মাঠের কতোটা প্রয়োজন। কিন্তু কখোনো সেই খেলার মাঠের ব্যবস্থা করার চিন্তাটাও করিনা।
যে খেলার মাঠে খেলতাম সে খেলার মাঠও আস্তে আস্তে বানিজ্যিক কেন্দ্রতে পরিনত হয়েছে। এখন আর কোন মাঠ নেই, মাঠ হয়ে গেছে বাজার। এলাকার ছেলে মেয়েরাও আর খেলাধুলা করে না। ধীরে ধীরে এখন আর কেউ তেমন খেলতে চায় না, খেলবে কোথায় 😥।
যে সময়গুলোতে মানুষ মাঠে খেলাধুলা করতো, আজ তারা কি করছে কেউ কি বলতে পাড়বেন? খেলার মাঠ না থাকায় মনুষের সাধারণ জীবন কোন দিকে ধাবিত হচ্ছে ভেবে দেখেনতো।
যারা মাঠে খেলতো তারা বেশির ভাগই মোবাইলের গেইম ও অনেক বাজে কাজে জরিয়ে পড়েছে, যুবসমাজের একটা বিশাল অংশ নেশার সাথে ও বিভিন্ন অবৈধ কাজের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। সাথে সাথে সমাজে অসামাজিক কাজও বৃদ্ধি পেয়েছে।
যে সময়গুলোতে মানুষ খেলাধুলা করে, ঘুরাফেরা করে শারীরিক ও মানসিকভাবে ভালো থাকতো সে সময়ে আজ তারা ধংশাত্তক ও ভবিষ্যৎ নষ্ট করার মতো কাজ করছে। নিজেরাই নিজেদের এভাবে শেষ করে ফেলার একটা বিশাল কারণ খেলার মাঠের প্রোয়োজনীয়তা।
আমাদের দেশের খেলাধুলার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। তাই দেশের মানুষ ও দেশের খেলাধুলার জন্য মাঠের নিয়ে সবাইকেই ভাবতে ও কিছু করতে হবে। মনে রাখতে হবে গ্রন্থগত শিক্ষার জন্য যেমন শিক্ষার জায়গার দরকার তেমনি খেলাধুলার শিক্ষার জন্যেও খেলার মাঠের দরকার।