img_0.23181321858020978.jpg
আমি রাতুল, আজ বলছি আমাদের সাথে ঘটে যাওয়া কিছু ভয়ংকর অভিজ্ঞতা। আমাদের এলাকায় প্রায়ই শুনা যেতো, রাতের বেলা যারা তাহাজ্জুদের নামাজ পোড়তে মসজিদে যেতেন বা রাতের বেলা যারা ৩টার পর বের হোতো অনেকেই নাকি একটা সাদা বর্ণের ঘোড়াকে আসে পাশে ঘুরে বেড়াতে দেখতো।
আর এই ঘোড়াটি ছিল আমাদের মসজিদের সাথে জড়িত। ঘোড়াটি মাঝরাতে মসজিদ থেকে বেড় হোয়ে গ্রামের শেষ দিকের খাল পেড়িয়ে শস্য ক্ষেতের পিছনের শেওরা গাছের কাছে যেতো। শেওরা গাছের কতটুকু পড়েই আমাদের ঈদগাহ মাঠ। আর ঘোড়াটি ঈদগাহ ও শেওরা গাছের মধ্যেই গুড়ে বেড়াতো বেশি।
এছাড়াও এলাকায় কোন বয়যেষ্ঠ কেউ মারা গেলে তাকে কবরস্থ করার সময় এই ঘোড়াটিকে কবরস্থানে ঘুরতে দেখা যায়।
তারপর কিছু দিনপর আমরা তিন বন্ধু একসাথে আমাদের মসজিদে এতেকাফে বসি। তখন আমরা নামাজ শেষ করে কোরআন তেলোয়াত করে গভীর রাতে বসে তিন বন্ধু মিলে হালকা জোড়েই কথা বলছিলাম। তখনই বাইরে ঘোড়ার শব্দ শুনতে পাই। পড়ের দিন তিন বন্ধুর একটু মনোমালিন্য হওয়ার কারণে আমরা তিন জন তিন দিকে আলাদা আলাদা করে শুয়ে থাকি। তখন এক বড়ভাই এসে বলল তোমরা এভাবে শুয়ে থেকো না কারণ মসজিদে কিছু জ্বীন আসে রাতের বেলায়। তাই আমরা মসজিদের বাম পাসে ঘুমালাম, হটাৎ দেখলাম ধবধবে সাদা একজন বয়স্ক লোক মাঝ বরাবর দাঁড়িয়ে অনেকক্ষন নামাজ পড়লেন। মসজিদের দড়জা বন্ধ করে শুবার পড়েও এই মুরুব্বি মসজিদে ডুকলো কিভাবে ভেবে ভয় পেলাম। পড়ের দিনও একই ভাবে ঘোড়ার শব্দ শুনারপর ঐ মরুব্বি একই সময় নামাজ পড়তে মসজিদে আসে। তারপর অনেকদিন ওই ঘোরাকে আর দেখা যায় না। তার কিছু দিন পর আমরা একটা ব্রীজের উপর বসে ছিলাম, ব্রীজের পাশেই একটা কুয়া ছিল। যে বা যারাই কুয়াটি ভরাট করতে চেষ্টা করে তারই কোন একটা ক্ষতি হয়।
আমাদের গ্রামেরই একজন ধার্মিক লোক ওই কুয়াটি ভড়াট করার জন্য কিছু মাটি কুয়াতে ফেলে, সাথে সাথেই মাথা ঘুড়িয়ে পড়ে যায়। তার মাসেক পর দেখা যায় ওই ব্যক্তি পাগলের মত হয়ে যায়। আমরা পড়ে ওই কুয়ার আসে পাসে সাদা সেই ঘোড়াকে প্রায়ই দেখতে পাওয়া যেতো। তাই ভয়ে পড়ে আমরা আর রাতে বেশি বের হোতাম না।