কোনো একটি দিনের খণ্ডাংশ
অনেক দিন পর বাড়িতে গিয়েছিলাম। সবে কয়েকদিন হলো বাড়ি থেকে ফিরলাম। প্রায় ১ বছর পর বাড়িতে গিয়েছিলাম। অনেক জায়গায় ঘুরেছি যেমন তেমনি অনেক স্মৃতিও রয়েছে সেই সময়কার। রোজার এদের সময় যেহেতু যেতেপারিনি তাই রোজার এদের পর পর ই চলে যাই। যদিও যেতে অনেক বাধা অতিক্রম করতে হয়েছে। কিন্তু তার কাছে বাড়ির আনন্দটা কিছুই না। যদিও আমরা এদের পরে গিয়েছিলাম যেটা করে তেমন একটা ভিড় ছিলোনা।
যেদিন বাড়িতে যাবো তার আগের দিন রাত্রে বেলা ভেবে রেখেছিলাম যে একদম সকাল সকাল রওয়ানা হবো। কিন্তু আম্মুর কারণে বেলা হয়ে যায়। বেলা বলতে সকাল ৭ টা বেজে যায়। কিন্তু ভাবনা ছিল সকাল ৫-৩০ এর দিকে আল্লাহর নাম নিয়ে রওয়ানা হবো। যাইহোক।, তারপর আমরা চিন্তা করি যে এয়ারপোর্ট থেকে কোনো একটা মাইক্রো করে আমরা চলে যাবো। কিন্তু সেটা এত ব্যায়বহুল হবে সেটা জানতাম না। যাওয়ার পর শুনি আমাদের নাকি ৫ হাজার টাকা দিতে হবে যাওয়ার জন্য।
আসলে আমরা সব সময় বাসে করে বাড়িতে যেতাম। যার কারণে এখন একটু বেশি অসুবিধা হবে। যাই হোক আমরা আর সেই মাইক্রোতে উঠিনি। তখন চিন্তা করলাম যে আমরা আমাদের পাশের বাসার আঙ্কেল কে ফোন দিবো। উনি একজন ড্রাইভার আর উনি মাঝে মাঝেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসে। উনাকে কল দেয়ার পর উনি বলে আজ বিকালের উনি সেখানে যাবেন। কিন্তু আমাদের জন্য উনি এখনই যেতে রাজি। তারপর উনার গাড়ি করে আমরা বাড়ির বাস স্টেশনে পৌঁছায়। তারপর উনি আর যাবেনা এখন উনার রাস্তা আলাদা আমার আমাদের রাস্তা আলাদা।
আমরা যখন স্বাভাবিক ভাবে বাড়িতে যেতাম তখন আমাদের বাড়ির স্টেশন থেকে বাড়ি পর্যন্ত কোনো CNGপাওয়া যেত না। আর এখনতো আরো পাওয়া যাবেনা। আমরা ঢাকা থেকে বাড়িতে তো আস্তে পারলাম কিন্তু এখন সামান্য একটু রাস্তা পারি দিতে অনেক কষ্ট করতে হচ্ছিলো।
যাইহোক অনেক CNG চলে না কারণ এটা মাইন্ রাস্তা ছিল। কিন্তু আমরা অনেকটা পথ হেটে যাওয়ার পর দেখি অনেক গুলো রিকশা আছে। তারা শুধু অলিগলিতে চলে। এখন আমরা একটু একটু করে অলিগলিতে প্রায় বাড়িতে পৌঁছে যাই। তারপরও আবার অনেকটা পথ হেটে বাড়িতে গিয়ে পৌঁছেছিলাম।
যাইহোক এইরকম জার্নি আর আমি কোনোদিন করিনি। কিন্তু এইরকম জার্নির সাথে পরিচিত হতে পেরেছিবলে বলে ভালোও লাগছিলো। সব কিছুর সাথে পরিচিত হওয়া দরকার আমার মতে।