জীবনের চলার পথে তো হাজারো বাধা বিপত্তির অতিক্রম করে লাগবে। আর তাতে যদি আমার সর্বোচ্চও দিতে হয় তাহলে আপনি কি থেকে থাকবেন ? আপনি আপনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন না ? হ্যা , নিশ্চই করবেন যদি আপনার মধ্যে সেই স্বপ্নটাকে পূরণ করার আকাঙ্খা থাকে , আর যেটা সম্পর্ণ আপনার উপর নির্ভর করে। স্বপ্নকে বাস্তবে রূপান্তর করাটা কিন্তু তেমন কঠিন না শুধু আমার চাই মনোবল আর উচ্চ আকাঙ্খা। এই দুইটা জিনিসের দ্বারাই আপনার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপান্তর করা সম্ভব। আসলে জীবনের প্রতিটা জিনিসকেই আপনার গুছিয়ে নিতে হবে। আর এটাই আপনার সব থেকে গুরুত্ত পূর্ণ কাজ। এটাই আপনার সাফল্যের প্রথম ধাপ।
আপনিই ভাবুন আপনি যখন কোনো কাজকে ভাগ করে ননে তখন আপনার কাছে কাজটা কত সহজ হয়ে যায়। আসলে কি কোনো কাজকেই আপনি বড় করে দেখবেন না। সব কাজকেই আপনার সাধ্য মতো ছোট ছোট কয়েকটা ভাগে ভাগ করে নিবেন যাতে করে আপনার সেই কাজটা অনেক সহজ হয়ে যাবে। আসলে আমাদের সব থেকে বড় সমস্যাটা হচ্ছে আমরা আমাদের জীবনকে নিয়ে একদমই সিরিয়াস না। যদি এমনি হতো তাহলে আমরা আমাদের জীবনকে উজ্জ্বল করার জন্য অনেক কষ্ট করতে একটুও পিচপা হতাম না। আমরা আমাদের স্বপনকে পূরণ করতে তো রাজি আসি কিন্তু একটুও কষ্ট করতে রাজি না।
সবাই জানে কষ্টের ফল সব সময় মিষ্টি হয়। সেটা জানা সত্তেও কেউ কষ্ট করতে রাজি না। আর এটা না করার মানে হলো নিজের জীবনকে নিজের হাতে নষ্ট করা। আসলে জীবনে কেউই পরিশ্রম ছাড়া বড় হতে পারেনি। এবং আপনিও পারবেন না। আর এটা কেউই পারবেনা। আপনাকে কিছু পাওয়ার জন্য কিছু হারাতে হবেই। আর সেই কিছু তা হচ্ছে আপনার উদ্দম পরিশ্রম আর কষ্ট। এই দুইটার বিনিময়ে আপনার আপনার জীবনকে অনেক এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন। আর স্বপ্ন শুধু আমাদের না , আপনার বাবা মার ও অনেক বড় স্বপ্ন উনাদের ছেলে অনেক বড় হবে আর তারা তখন সমাজে মাথাউঁচু করে বাঁচতে পারবে।
আমি আমার আব্বুর বন্ধুর কথাই বলি , আমি যতটুকু জানি উনাদের পরিবার ছিল অনেক গরিব। আর তাদের মধ্যে উনি এত বড় হতে পারবেন আসলে কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। আজ উনি ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের প্রভাষক। উনি এত বড় হবে কবে কল্পনাও করতে পারেনি। আর এটাতো কল্পনার বাইরেই। কিন্তু উনার উদ্দম পরিশ্রম আর কঠোর মনোবলের করণে আজ অনেক দূর পর্যন্ত যেতে পড়েছে। আসলে কি শুধু উনি না। এই পৃথিবীতে যারা বড় হয়েছে তারা নিজের আলসেমীকে বিসর্জন দিয়েই এত বড় হতে পেরেছে। আর যারা আলসেমি করে তারা কোনোদিনও বড় হতে পারে না। এটা শুধু আমি না , সবাই এটাই বলে।
যাই হোক , মূল কথা হচ্ছে নিজের মনুবল। এটাই আপনার সব থেকে বড় সাথী। এটা ছাড়া এক পা আগানোও সম্ভব না। কারণ এখন পৃথিবীতে কেউ আপনাকে বিনা স্বার্থে উৎসাহ দিবে না। সত্যি এখন নিজের স্বার্থ খুঁজতে ব্যস্ত । যতটুকু আগানোর নিজেকেই আগাতে হবে। আর সবাই স্বার্থপর তো কি হয়েছে। আপনি তো আর উনাদের মতো না। আপনাকে অনেক বড় হতে হবে যাতে করে। আপনার কাছ থেকে গরিব মানুষ গুলো সাহায্য পেতে পারে। সব সময় নিজেকে একটু আলাদা ভাবে গড়ার চেষ্টা করবেন। যাতে সমাজে আপনার অন্যরকম একটা সম্মান থাকে ।