গ্রামীন সৌন্দর্য
বছর খানেক গড়িয়ে গিয়েছিলো বাড়িতে যায়নি সবে 1 মাস হলো বাড়ি থেকে ফিরলাম। যদিও মাত্র ১ সপ্তাহ থেকেই এসে পড়েছি। তবুও বাড়িতে গিয়ে মনটা ভরে গেলো। এত সুন্দর সুন্দর জায়গায় গিয়েছিলাম যেখানে কখনো আগে আর যায়নি !
আর সেই জায়গা গুলিকে তার কিছু স্মৃতি হিসাবে ছবি তুলেছিলাম ! অনেক ভালো লেগেছে সেই জায়গা গুলোতে যেতে পেরে। আমার মতে প্রকৃতির সুন্দরজের কাছে কোনো সুন্দয্যে তুলনার যোগ্য নয়।
আমি যখনি বাড়িতে যাই তখন সবার আগে বাড়ির ধানক্ষেতেই ঘুরতে যাই , আমার কেন জানি ধানক্ষেত অনেক পছন্দ। ধানক্ষেত বলতে একটা ধান ক্ষেতকে বুঝিনি। আমাদের বাড়ির পিছন থেকে সামান্য দূরে অনেকটা জায়গা নিয়ে পুরোটা ধানক্ষেত।
আর যখন তার মাঝ খানদিয়ে যাই , তখন নীলাকাশের মাঝে সাদা সাদা তুলার মতো মেঘগুলো বাতাসের ঝাপটায় যখন একপ্রান্ত থেকে আরেকপ্রান্তে যায় তখন তার রূপ যেন অমূল্যহীন , কখনই সেটা কোনো কিছুর পরিবর্তে পাওয়া যাবেনা !
যখন প্রথম প্রথম ঢাকায় এসেছিলাম তখন আমি প্রায় অসুথ হয়ে গিয়েছিলাম। তখন ডাক্তার দেখানোর পর উনি বলে যেহেতু আমরা বাড়ি ছেড়ে ঢাকায় চলে এসেছি তারকারণে আমার উপর বড় একটা চাপ পড়েছিল। আর সেই সময় আমার বয়স যেহেতো কম ছিল সেই হিসাবে আমার শরীর অসুস্থ হওয়া স্বাভাবিক বেপার। আমার মনে নেই তখন কার কথা কিন্তু একটু গভীর ভাবে ভাবলে মনে পরে যে সেই সময় আমার অনেক কষ্ট হয়েছিল !
আসলে প্রকৃতি সুন্দর্য এমন এক সুন্দর্য যেত সব সময় মূল্যহীন থাকে। আমি একজন প্রতিটি প্রেমী। চাই সব সময় প্রকৃতির মাঝে ডুবে থাকতে। কিন্তু সব সব স্যায়গায় তো আর প্রকৃতির সুন্দর্যকে খুঁজে পাওয়া যায়না ! সে কারণেই আজ প্রকৃতিকে অনেক অনেক মিস করি। জানিনা আবার কখন সেই দিনটার মতো প্রকতিরিকে সময় দিতে পারবো !
ভেবেছিলাম যে আবার কিছুদিনের মধ্যে বাড়িতে যাবো। কিন্তু এখন পড়াশুনার জন্য হয়তোবা আর এখন যাওয়া হবে না। কে জানে আবার কখন যাবো বাড়িতে। আর হয়তো শীগ্রই যাওয়া হবে না। এখন শুধু ঘরে বসে বসে জানলায় আকাশের দিকে তাকিয়ে দিন গুলোকে স্মরণ করার পালা !
আর যাইহোক আগে যেতাম ছিলাম এখনো তেমনি থাকতে হবে। একজন প্রকৃতির প্রেমী ই একজন প্রকৃতি প্রেমীর প্রকৃতিকে ছাড়া চলার দুঃখ বুঝতে পারে। সব সময় যেন সেই প্রকৃতিকেই স্মরণ করি। আর আঙুলের বাজে বাজে গুনতে থাকি আবার কখন সেই দিনটা আসবে।