কিছু দিন হলো সাভার থেকে একটা বন্ধু বাসায় বেড়াতে আসলো। গত কিছুদিন আগে আমি ক্যাফে কাব্য রেস্টুরেন্ট গিয়েছিলাম। । আবার আমরা চিলক্সের খিলগাঁও ব্রাঞ্চেও গিয়েছিলাম। সেই জায়গাটা অনেক সুন্দর। ওই দিন সকাল বেলা আমার বন্ধু বলছিলো যে "চল আজকে একটু হাটতে বের হই"। তারপর আমি বললাম না আজকে আমার পড়া আছে। কিন্তু ওর কথা না রাখাটাও একটু খারাপ হয়ে যাবে। তাই সকাল বেলাই পড়া শেষ করে বিকালের দিকে বের হলাম। হঠাৎ হাটতে হাটতে ও বলল চল একটা রেস্টুরেন্টে যাই। তারপর হঠাৎ করে আমরা চিলক্স এ ঢুকলাম।
সেই রেস্টুরেন্টটা অনেক সুন্দর। সেখানে আমি আর আমার ২ জন ফ্রেন্ড সাথে গিয়েছিলাম। আমরা দুইজনই বাসা থেকে বের হয়েছিলাম কিন্তু রাস্তায় আমার আরো দুইটা ফ্রেন্ড এর সাথে দেখা। তারপর আমার ওই ফ্রেন্ডই তাদেরকে আমাদের সাথে চলতে বলে। তারপর সেই আমাদেরকে চিলক্সে নিয়ে যায় । এর আগে আমি চিলক্সে যাইনি । গতকালই সর্ব প্রথম। আমি সেখানে অনেক মজা করেছি।
রেস্টুরেন্টের খাবার গুলো আমার অনেক ভালো লেগেছে। তাদের পরিবেশন স্টাইলেও অনেক ভালো। সেই রেস্টুরেন্টটা এতটা বড় না তবুও মোটামোটি চলে। সেই খানে গিয়ে আগেই আমরা ৪ টা জুস অর্ডার করি। সে খানকার জুসটা আমার কাছে ভালো লাগেনি। কিন্তু ওদের খাবার ধরণ দেখে মনে হয়েছে ওরা খেয়ে মজা পাচ্ছে। তারপর আরো হালকা পাতলা কিছু খাবার পর। চলে আসলাম। আমার কাছে এটা ভালো লেগেছে যে এটাতে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা আছে। আমরা যখন গিয়েছিলাম তখন ৫ টা বেজে ছিল। তাই হয়তোবা মানুষ কম ছিল। কিন্তু আমি যত ত্বক জানি Chilox অনেক জনপ্রিয় আমাদের এলাকায়।
আমি অনেক দিন পর সেই ফ্রেন্ডএর সাথে কোনো একটা রেস্টুরেন্টে বের হলাম। সে আগে আমার পাশের বাসায় থাকতো। কিন্তু তার বাবার ট্রান্সফার হওয়ার কারণে সে সাভার চলে যায়। সে যদিও আমার থেকে অনেক দূরে। কিন্তু তার সাথে আমার সম্পর্কটা এখনো আগের মতো। অনেক মিস করে তাকে। কিন্তু কিচ্ছু করার নেই। পরিবার যেখান যাবে তাকেও সেখানে যেতে হবে।
সত্যি বলতে আমরা স্টুডেন্ট হিসাবে এত টাকা নেই যে আমরা এত দামি বা ব্যায়বহুল রেস্টুরেন্টে গিয়ে অনেক টাকা খরচ করবো। কিন্তু তাও প্রায় ১৫০০টাকার মতো খরচ করা হয়ে গিয়েছিলো। সেখানে আমরা প্রায় ১ ঘন্টা উপস্থিত ছিলাম। আমাদের এত সময় লাগতোনা কিন্তু আমরা গল্প করতে করতে অনেক সময় ব্যায় করে ফেলেছি। আমি এই ছবি গুলোর মাধ্যমে আমি চিলক্স -খিলগাঁও ব্রাঞ্চের সুন্দর্য তুলে ধরতে চেষ্টা করেছি।
চিলক্সে ঘোরার অনুভূতি ছিল অনেক সুন্দর। আমার কাছে এই ছবি গুলো অনেক সুন্দর লেগেছে। আশা করছি আপনাদের কাছেও ভালো লাগবে। এই চিলক্সের অনেক গুলো ব্রাঞ্চ রয়েছে। আমি খিলগাঁও এলাকার বাসিন্দা তাই আমি খিলগাঁও ব্রাঞ্চে গিয়েছিলাম। আমি আমার বন্ধুকে বেশি সময় দিতে পারি নি। কিন্তু যে টুকু দিয়েছি শুধু তাকেই দিয়েছি। সে আজকে সকালে সাভার চলে গিয়েছে। ওর জন্য আমার দোয়া সব সময় সাথে থাকবে। আজকে আমার লেখা এখানেই শেষ করলাম। ধন্যবাদ সবাইকে।