জীবনটাতো অনেক সংক্ষিপ্ত। দেখতে দেখতেই সময় পেরিয়ে যায়। আর সময়ের সাথে সাথে জীবনের সব আনন্দও মাটি হয়ে যায়। কি আর করার আপনাকে তো আপনার জীবনের সুন্দর ভাবে কাটানোর জন্য সব আনন্দ গুলোকে মাটি করতেই হবে। কিছু পাওয়ার জন্য আপনাকে তো কিছু অবশ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ আপনাকে আপনার সুন্দর ভবিষৎতের জন্য বর্তমানের সব আনন্দ মাটি করতে হবে। যদিও বড় হওয়ার পর আপনার সুন্দর ভবিষ্যতই হবে আপনার একমাত্র চাওয়া। কিন্তু সেটা পাওয়ার জন্যও আপনাকে আপনার জীবনের অনেক আনন্দ মাটি করা লাগবে। আর আপনি হয়তো সামান্য আনন্দের জন্য আপনার নিজের ভবিষ্যতকে ধ্বংসের মুখে ফেলবেন না।
কিন্তু হ্যা , আসলেই ছোট বেলার আনন্দটা আপনি কোথাও খুঁজে পাবেন না। যেটা হয়তো আপনি আর আমি উপলব্ধি করতে পারবোনা যদি না আপনার সেই দিন গুলোতে আনন্দ না করি। কিন্তু ওই সময়তা তো আমাদের নিজের ভবিষ্যত গড়ার সময় তখন যদি আপনি নিজের আনন্দ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন তাহলে আপনার ভবিষ্যত কে গড়বে। তো আপনাকে আপনার সেই শৈশবের আনন্দ মাটি করে ভবিষ্যত গড়ার কাজে লেগে পড়তে হবে। আর শৈশবের আনন্দ মাটি করে বলতে আমি একদমই আনন্দ করতে মণ করিনি করতে হবে কারণ এটা আমাদের মানসিক বিকাশের জন্য অনেক জরুরি কিন্তু অতিরিক্ত না সব কিছুই আমাদের নিয়ম অনুযায়ী করতে হবে।
আর সত্যি কথা বলতে যারা এখন বড় তারা সবাই চায় যাতে সেই আগের দিন গুলো ফিরে আশোক কিন্তু এটা তো সম্ভন না। সবাই আফসোস করে তাদের ছোট বেলাকে নিয়ে। আর শৈশবের দিন গুলোইতো জীবের সব থেকে রঙিন মুহূর্ত। যেটা একবার চলে গেলে আর কখনই ফিরে আসবেনা। তো শুধু শুধু আফসোস করে তো আর লাভ নেই। আর আমার মতে নিজের অতীতকে ভুলে সব সময় নিজের ভবিষৎতের দিতে নজর দেয়া উচিত যেটা হয়তো আপনার আমার জন্য মঙ্গল জনক হবে। আর সত্যি কথা বলতে আমাদের বর্তমান সময়ের ছেলে মেয়েরা তাদের শৈশব তো মোবাইল চালাতে চালাতেই কাটিয়ে ফেলে। তারা তো শৈশবের মজাটা উপভোগ করতেই পারে না।
আমার কথা যদি বলি তাহলে আমার এখনও সেই আগের দিন গুলো ফিরে পেতে ইচ্ছা করে। যেন ওই সময়টাই ছিল জীবনের সব থেকে রঙিন মুহূর্ত। যদিও আমরা এখনো বড় হয়নি। এখনও অনেক সময় রয়েছে নিজের জীবনকে উপভোগ করার। কিন্তু এখন এমন একটা বয়স যেটার সম্পূর্ণ কাজকর্ম আমাদের ভবিষৎতের উপর প্রভাব ফেলবে। তো এখন তো নিজের জীবনকে উপভোগ করার পর্যাপ্ত সময় আর নেই। এখন তো সময় নিজের ভবিষ্যতকে গড়ার। আর আমাদের মধ্যে বেশির ভাগ মানুষই নিজেদের এই সময়টাকে সঠিক ভাবে কাজে লাগাতে পারে না বলে জীবনের লক্ষ পূরণে ব্যর্থ হয়।
আর সব থেকে বড় সমস্যা হচ্ছে আমরা আমাদের বর্তমান আর ভবিষ্যতকে রেখে অতীতের কথা নিয়ে ভাবি। আসলে সব কিছুকে আমরা একটু গভীর ভাবে ভাবি তাহলে সব কিছুরই একটা সমাধান পাওয়া যাবে। শুধু আপনাকে আপনার মনুষত্বকে কাজে লাগিয়ে একটু ভাবতে হবে। আর এটাই আপনার জীবনে একমাত্র শান্তি এনে দিতে পারে।