আসক্তি জিনিষটা অনেক খারাপ আবার অনেক ভালোও। যদি সেটাকে আপনি ভালো ভাবে কাজে লাগাতে পারেন তাহলে সেটা আপনার জন্য মঙ্গল জনক হবে আর যদি না পারেন তাহলে সেটাই আপনার জীবন ধ্বংসের একমাত্র কারণ। আসলে কি , আমাদের জীবনটা আমাদের হাতেই আপনি যদি চান তাহলে আপনার জীবনকে আপনার হাতেই গড়তে পারেন আবার নিজের হাতেই ধ্বংস করতে পারেন। আমি এমনও মানুষ দেখেছি যারা রাত দিন বই পড়া ছাড়া কোনো কাজই করে না। আবারও এমন মানুষ দেখেছি যারা রাত দিন সারাক্ষন বাজে নেশায় পরে থাকে। আসলে আসক্তি জিনিষটা খারাপ না , আমরা আসক্তিকে খারাপ জিনিসের প্রতি নিয়ে যাই।
আপনিই ভেবে দেখুন , আসক্তি জিনিষটা কিন্তু খারাপ কিছু না। বরং এমনও হয়েছে এই আসক্তির ফলে অনেকেই তাদের জীবনকে অনেক উঁচু পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে। আপনি যেমন ঠিক তেমন ভাবেই আপনার জীবন চলবে। যদি চান আপনিই আপনার জীবনকে অনেক দূর পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারেন , আবার নিজেই ইচ্ছা করলে একদম মাটির নিচে দাবিয়ে রাখতে পরনে। হয়তো আপনার ইচ্ছা আছে কিন্তু হয়তো আপনার ইচ্ছা শক্তির কিছুটা ঘাটতি আছে। আসলে কি , আপনার ইচ্ছা শক্তি যত মজবুত থাকবে তত আপনার আশা পূরণ হওয়ার সুযোগ বেশি থাকবে। আসলে সুযোগ তো না , এটা হবেই , ইচ্ছা থাকলে উপায় হবেই।
আসলে আমাদের সব থেকে বড় সমস্যা হচ্ছে আমরা কোনো কিছু পাওয়ার আগেই বা স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগেই আমরা আমাদের গন্তব্য থেকে পিচপা হয়ে যাই। আসলে কি , আমাদের সমাজের বেশির ভাগ মানুষ যখন কেউ কোনো কাজে বার বার ব্যর্থ হয় তখন তাকে সান্তনা বা উৎসাহ না দিয়ে তাকে আরো অনুৎসাহিত করে , যেটা মোটেও ঠিক না। আর সত্যি বলতে গেলে সাফল্যের প্রথম সিঁড়িটা সব সময় কঠিনই হয়। আর এটাই আপনার সাফল্যের প্রথম চূড়া , অর্থাৎ আপনি যখন কোনো বিপদের পড়বেন তখন সেটাই হবে আপনার সাফল্যের প্রথম ধাপ।
আপনি সেই বিপদের মুহূতটাকে আপন করে সামনে আগাতে হবে। আসলে কি আমার মনে হয় আমাদের জীবনে যে যে বিপদ গুলো আসে সেই গুলো থেকেও আমাদের অনেক কিছু শিখার আছে। আর আপনি যদি সত্যিই এটাকে আপন করে নিতে পারেন তাহলে বিশ্বাস করুন আপনার জীবনে কোনো কিছুই আপনার সাফল্যের চূড়ায় উঠতে বাধা দিতে পারবেনা। আর সব সময় নিজের লক্ষ অটুট রাখতে হবে। লক্ষ অটুট না রাখলে আপনি কখনই আপনার জীবনের সাফল্য অর্জন করতে পারবেন না।
আর সত্যি কথা বলতে গেলে আসক্তি কোনো খারাপ জিনিস না। যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনি খারাপ কাজে আসক্ত না হচ্ছেন। আর দোষ তো আমাদের , বিজ্ঞান আমাদের কল্যাণের জন্য প্রযোক্তি আবিষ্কার করে কিন্তু আমরা মানুষরাই সেই প্ৰযুক্তি গুলোকে খারাপ কাজে ব্যবহার করি। আর পরে যখন সময় শেষ হয়ে যায় তখন নিজের ভুল বুঝতে পারে। আর এটাই হয়তো আপনার জীবনের সব থেকে বড় ভুল হয়ে দাঁড়ায় !