খবরে দেখাচ্ছে একজন পরিবারের ছোট ছেলে বাদে তাদের সবাইকে পুড়িয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। কিন্তু ছোট ছেলেটাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আর তাদের কে যেভাবে মারা হয়েছে, সেটা কল্পনার বাইরে। পুলিশ যখন সেটার ইনভেস্টিগেশন করতে আসে তখন তারা ক্রিমিনালের কোনো ছাপ পায় না। তারা মনে করেছে যে তাদের পরিবারকে এই ভেবে হত্যা করেছে সেই সেই বাচ্চাটাকে নিয়ে গেছে।
গল্পটা অনেক ভয়ংকর। এমন অনেক পরিবারকে নিরীহ ভাবে হত্যা করে তাদের পরিবারের কোনো এক সন্তানকে নিয়ে হারিয়ে গেছে। বাচ্চা ছেলে বা মেয়ে গুলো হারানোর পর কেউই তাদেরকে দেখতে পায়নি। গল্পটা অনেক রহস্যা জনক। এই হত্যা কান্ড গুলো এমন এমন বাড়িতে হয় যে গুলো অনেক পুরোনো আমলের। তারপর সেই হত্যাকাণ্ডের পর সেই বাড়িকে সরকার থেকে সিল মেরে দেয়া হয়।
কিন্তু বাড়িগুলোকে সিল মারার পর ও নাকি সেখানে অনেক ধরণের শব্দ পাড়া প্রতিবেশীর মানুষ শুনতে পেত। অন্যদিকে সেই খুনি অন্যএকটা পরিবারকে আবার টার্গেট করেছে। কিন্তু তাদের পরিবারটা অনেক চালাক ছিল। সেই সিরিয়াল কিলার এর কাজ ছিল আগে মানুষ গুলোকে ভয় দেখানো তার কিছুদিন পর তাদেরকে হত্যা করা।
ওই পরিবারে ছিল বাবা মা দুইজন সহ তাদের সুই ছেলেকে নিয়ে থাকতেন। তাদের বাবা তাদের সাথে থাকতো না , সে অন্নসহরে থাকতো। ওই দিন রাতে তাদের বাড়ির ছাদের থেকে অনেক বড় বিকট শব্দ হয়। তারা যাওয়ার পরে দেখতে পায়, কেউ একজন তাদেরকে ইচ্ছে করে সেখানে নিয়ে এসেছে। তখন দেখতে পায় কেউ তাদের পিছনে দাঁড়িয়ে রয়েছে কিন্তু সে তাদের সামনে আসছে না , সেখানেই দাঁড়িয়ে রয়েছে।
আসলে সেই লুকটাতা তাদেরকে ভয় দেখানোর জন্য এত বড় শব্দটা করেছিল। সেই সিরিয়াল কিলারটি প্রথম প্রথম ভয় দেখায় , তারপর তাদেরকে মারে। তারা কিন্তু আগে থেকেই সেই সিরিয়াল কিলের এর কথা জানতো তাই তারা ভাবে একটা ফাঁদ পেতে তাকে ধরবো তাই তারা চিন্তা করে বাড়িটা ছেড়ে দিবে। যখন কিলেরটি সেটা জানতে পারে তখন সে ভাবে আজকে রাতেই তাদেরকে মেরে ফেলবে।
সেই দিন রাতে যখন মারতে যাবে তখন তাদের বাড়িতে প্রতিটা জায়গায় পুলিশ ছিল। তাদেরকে টহল দিচ্ছিলো। আর এটাই ছিল তাদের ফাঁদ। তারপর সেই পুলিশ মিলে অনেক কষ্টে তাকে ধরতে পেরেছিলো। সিরিয়াল কিলের একজন ছিলোনা ২ জন ছিল। তারা দুইজন মিলে এইসব করে নিরীহ মানুষ গুলোর প্রাণ নিতো।