শীতের সাথে বন্ধুত্ত।

Words
368
Reading
2 min
5y

গত কয়েকদিন ধরে অনেক ঠান্ডা পড়েছে। সকালেই যখন উঠি তখন দেখি অনেক কুয়াশা। সামনের প্রায় কিছুই দেখা যাচ্ছে না। আমার তো ইচ্ছা ছিল এই শীতের মধ্যে থাকার কিন্তু মনে হয়না এই আশা আর কখনই পূরণ হবে। এইবারও কিন্তু বাড়িতে গিয়ে এসেছি কিন্তু মাত্র ৪ দিনের জন্য। আবার মাঝে মধ্যে মনে হয় যদি না যেতাম তখন। তাই ভেবে ভেবে নিজেকে সান্তনা দেই। কিছু তো আর করার নেই। বাধ্য হয়েই কিছু চাওয়াকে না চাওয়ার ভান করে থ একটা হয়। আর জেদ করলেও কোনো লাভ হবে না। কারণ এখন তো আর সময় নেই কিছু দিন পর পরীক্ষার রেজাল্ট দিবে। কলেজ এ ভর্তির জন্য দৌড়া দৌড়ি করতে হবে।

pexels-galina-yarovaya-8677418.jpg

তা প্রায় ২ বছর আগের কথা হবে। প্রায় ২ মাস বাড়িতে থেকেছিলাম তাও আবার এই শীতের দিনের। কেন জানি মনে হয় এটাই হয়তো শীতের সময় সর্ব শেষ গ্রামে যাওয়া ছিল। সর্বশেষ বলতে একদম শেষ সেটা বুঝাচ্ছিনা , এই কয়েক বছরের মধ্যেও মনে হয় যাওয়া হবে না। কিন্তু হ্যা , এইবার যে যেতে পেরেছি তাতেই অনেক খুশি। আবার হয়তো যাবো কিন্তু এই মৌসুমে না। আর সত্যি এখন কলেজ এ ভর্তি হলে এই মৌসমে হয়তো আর সময় হবে না কোথাও ঘুরতে যাওয়ার জন্য। আচ্ছা যাই হোক , আমার কাছে সত্যি বলতে শীতের মৌসমটাই বেশি ভালো লাগে।

যদিও এই মৌসুমটা আমাদের দেশের রাস্তার পশে কাটানো মানুষ গুলোর জন্য মৃত্যর সজ্জা। আর এই জিনিষটাই আমার সব থেকে বেশি খারাপ লাগে এই মৌসুমের। আর বিশেষ আমাদের ঢাকা থেকে গ্রামে প্রচুর শীত পরে। আর এটাই সব থেকে বড় সমস্যা। আমি বাড়িতে গিয়ে নিজের শরীরের সাথে পরিবেশকে খাপ খাওয়াতে পারি না। প্রচন্ড ঠান্ডা। আর সকাল বেলা তো কোয়াসার কারণের ঘর থেকেই বের হয়ে যায়না আর সেই সময় আমাদের এলাকার হাইওয়ে তে বেশির ভাগ একসিডেন্টে হয়। আর প্রতি বছর গড়ে ১ বার এমন দুর্ঘটনা হবেই আমাদের এই মহা সড়কে। সত্যি বলতে এই মৃত্যু গুলো অনেক মর্মান্তিক হয়।

যাইহোক , এখন আমি আমার কথা বলি। এইবার এর যাওয়াটা সত্যি বলতে মোটেও মজার ছিল না কারণ এইবার তো কোনো আনন্দই করতে পারিনি। শুধু ঘুরে ফিরা ছাড়া আর কিছুই না। যদিও এটাতেই অনেক খুশি , এই বন্দি জীবন থেকে একটু খুলে মেলায় ঘুরতে পেরে মনটা আসলেই অনেক শান্ত হয়ে গিয়েছিলো। আর বললামই তো , এইবার বাড়িতে গিয়ে অনেক জায়গায় ঘুরেছি যদিও। কিন্তু আবার যখন ঢাকায় ফিরে আসতে হয় তখন সত্যি অনেক খারাপ লেগেছিলো।

Image source

শীতের সাথে বন্ধুত্ত। | Ecency