আমাদের এই দেশটা তার প্রাকৃতিক সুন্দর্যের জন্য অনেক বিখ্যাত। কিন্তু বর্তমানে আমাদের এই ঢাকায় এই রকম পরিবেশ পাওয়া অনেক মুশকিল। এই হাতিরঝিলের কারণে সেটা একটু সহজ হয়ে গেছে। আমি সেখানে আমার বন্ধুদের সাথে যাই। কিন্তু সেখানে এবসে থাকিনা বরং অর্ধেকটা হাতিরঝিল চক্কর দিই । এতে করে আমার একটু হাঁটাও হয়ে যায় আবার পরিবেশটার মজাও নিতে পারি। আসলে ঘুরাতে আমাদের শরীরের জন্য অনেক দরকার। এতে করে আমাদের মনের সব একঘেয়েমি দূর হয়। আমি প্রায় ২ - ৩ দিন পর পর সেখানে ঘুরতে যাই। আবার মাঝে মাঝে পরিবার নিয়েও যাই।
হাতিরঝিলে রাস্তা পার হওয়ার জন্য অনেক গুলো জেব্রাক্রসিং ও ওভারব্রিজ স্থাপন করা হয়েছে কিন্তু সেখানকার মানুষগুলো ওভারব্রিজ ব্যবহার করেনা বললেই চলে। সেখানে কিছু কিছু লোক আছে যারা ওভারব্রিজের সিঁড়িতে বসে নেশা করে। এত সুন্দর একটা জায়গায় এইসব একদম শোভা পায়না।হাতিরঝিল এমন একটি পরিবেশ যেখানে মানুষ একটু সময় কাটাতে আসে কিন্তু এইসব হলে অনেকেই সেই জায়গাটার প্রতি একটু বিরক্তি আনবেন। আমাদের প্রশাসনের উচিত এইসব কর্মকান্ড এর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া।
হাতিরঝিলের কিছু কিছু কমিউনিটি আছে যারা কোন বড় অনুষ্ঠানএ অনেক টাকা খরচ করে অনেক গুলো আতশবাজি ফোটেয়। এই সব শুধু আমাদের আনন্দের জন্য করে। কিন্তু অনেক সুন্দর দেখায়। প্রথমে ৩-৪ মিনিট পর পর ১ করে বাজি ফোটানো হয় যাতে করে মানুষ বুঝতে পারে একজন বাজি ফুটাবে এবং সত্যি একসাথে জড়ো হবে হাতিরঝিলের সামনে। যখন প্রথম প্রথম বাজি ফুটানো হয় তখন সব মানুষ দৌড়াদৌড়ি শুরু করে। তখন কুকুরগুলো ও মানুষের সাথে সাথে দৌড়াতে থাকে। সব মিলিয়ে যেন অনেক সুন্দর একটা দৃশ্য।আজকে আমার লেখা এখানেই শেষ করলাম। ধন্যবাদ সবাইকে