স্মৃতির খণ্ডাংশ।

Words
412
Reading
2 min
5y

images-3.jpg

শুক্রবার , ঐদিন সকালে উঠে দেখি আম্মু আজকে সকাল সকাল উঠে গিয়েছে। এমনিতে সব সময়তো ৯ টার দিকে উঠে কিন্তু আজকে হটাৎ ৭টায়। আমার কাছে বেপারটা একটু আজব আজব লাগে। কিন্তু তেমন গুরুত্ত দেইনা। সকালে যখন বলি ক্ষুদা লেগেছে তখন বলে যে নাস্তা তো আরো আগেই তৈরী করে রেখেছি। তারপর আমি কিছু না বলে আগেই খারাপ খেতে চলে যাই , তখনও কিন্তু আমি জানিনা যে আমাদের আজকে বাইরে যেতে হবে! আচ্ছা যাই হোক , নাস্তা খাবার পর আমি বাইরে চলে যাই। যার কারণে , আম্মু আমার উপর অনেক রাগ করে !

আচ্ছা যাই হোক , কিছুক্ষন পর আমার মামত্ম বোন আসে আমাকে বলে যে আম্মু আমাকে পাগল এর মতো খুঁজে বেড়াচ্ছে , আসলে তখন তো আমি জানিনা যে আমাদের দাওয়াত আছে! তারপর আমি বাড়িতে যাই গিয়ে দেখি আম্মু বলছে তাড়াতাড়ি রেডি হতে , ১০ মিনিট এর মধ্যে বের হয়ে যাবে, আমি অনেক তাড়াহুড়া করে রেডি হই। তারপর , আমরা পরিবারের সবাই একসাথে বের হয়েযাই। ঐটা ছিল একটা বিয়ের দাওয়াত তাই আমরা সবাই একসাথে বের হয়েছিলাম। সেটা কার বিয়েছিলো , হয়তো আম্মুর কিছু একটা লাগে। আমি হয়তো তাকে চিনি না , কিন্তু সম্পর্কে আন্টি লাগে !

আচ্ছা যাই হোক , উনাদের ওখানে যেতে যেতে প্রায় ১ ঘন্টা সময় লেগেছিলো। আর সত্যি বলতে এত দূর রাস্তা হবে আমি কল্পনাও করতে পারিনি। যাওয়ার পরে দেখি অনেক সুন্দর করে সাজিয়েছে উনাদের বিয়ে বাড়িটা। আর সত্যি বলতে আমি মনে হয় জীবনে ১ বারই উনাদের বাড়িতে গিয়েছিলাম। তাও আবার ৫ বছর থাকতে। আর ওই আন্টিকে আমি একবার দেখেছি কিন্ত কোথায় দেখেছি সেটা মনে নেই। আচ্ছা যাই হোক , ওখানে যাওয়ার পর দেখি সবাই আমাকে নিয়ে সমালোচনা করছে , আমার যদিও বেপারটা অনেক রাগ উঠেছে। উনারা বলছিলো যে আমি নাকি অনেক বড় হয়ে গিয়েছি।

আমার রীতিমতো অনেক খুদা লেগেছিলো , তাই আম্মুকে বলি যে খাতে বসে পড়তে , তাই সুজুগ বুঝে সবাই একসাথে একটা টেবিল দখল করে বসি , যদিও তেমন বেশি খেতে পারিনি কিন্তু খাবারটা অনেক মজা হয়েছে। অল্প খাবার পরই পেট ভরে যায়। আর সেই জন্য খাবার পর প্রায় ৩০ মিনিট ধরে বসে ছিলাম। একটু ও নরা চড়া করতে পারছিলাম না। ৩০ মিনিট পর আস্তে আস্তে একটু একটু করে নরা চড়া করি তারপর আস্তে আস্তে ঠিক হয়। আসলে আমি তেমন বেশি খাইনি কিন্তু তবুও আমার পেট অনেক ভোরে গিয়েছিলো। কিছু বুঝে উঠার আগেই এমন টা হয়েছে।

আচ্ছা যাই হোক , এই বিয়ে বাড়িতে যাওয়ার পর আমার আম্মুর নানু বাড়ির অনেককেই চিনলাম। আর যাই হোক , অনেক মজা হয়েছে ওই বিয়ে বাড়িতে। হয়তো এখন অনেক বছর পর আবার কিন্তু ওই স্মৃতিগুলো তো সারাজীবন থেকে যাবে !

Image source

স্মৃতির খণ্ডাংশ। | Ecency