শান্তিপূর্ণ জায়গার খোঁজে !
আমার মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে বাইরে গিয়ে একটা শান্তিপূর্ণ জায়গায় খুঁজে সেখানে বসে থাকি। মাঝে মাঝেই বের হয় এমন একটা জায়গা খুঁজতে , কিন্তু এই ব্যস্ত শহরে শান্তিপূর্ণ জায়গা খুঁজে পাওয়াটা বড় মুশকিল। তাই বেশির ভাগ সময় উদাস হয়ে বাসায় ফিরতে হয়। আর এখন তো আশা ছেড়েই দিয়েছি এই শহরে শান্তি পূর্ণ জায়গা খুঁজে পাওয়ার !
তাই এখন শুধু বাড়িতে গিয়েই সেই শান্তি পূর্ণ জায়গার সন্ধান করি ! দিনটা ছিল একদম নিস্তব্দ। একসাথে স্বাভাবিক ভাবেই রোদ উঠছিলো ! বেরিয়ে পড়ি জায়গার উদ্দেশ্যে। যে জায়গাটায় গিয়েছিলাম সেটা আমাদের বাড়ি থেকে ১০ মিনিটের রাস্তা অটো দিয়ে। আর হেটে গেলে ৩০ মিনিট আর এর মতো লাগে !
আমি তো নদীর কিনারে বসে থাকে অনেক ভালো বাসি। তাই সেই কারণে তখন ও নদীর কিনারে গিয়েছিলাম। নির্জন পরিবেশ আর ঠান্ডা বাতাসে বসে বসে আমার মনটা একদম শান্ত হয়ে যায়।
ভেবেছিলাম রোদ হবে কিন্তু আকাশটা দেখি সাদা মেঘে ঘনবসতি হয়ে আছে। আর তার কারণে সূর্য ঢাকা পরে গেছে। আর তখন যে এত ঠান্ডা বাতাস , আমি এর আগে কোনোদিন এইরকম পরিবেশের সাথে পরিচিত হইনি।
ভেবেছিলাম সন্ধ্যা পর্যন্ত থাকবো কিন্তু একটু পরে আম্মু ফোন দিয়ে বলে চলে আসতে। আসলে আমি এইরকম নির্জন একটা জায়গার সন্ধানেই ছিলাম। অনেক দিন পরে এমন একটা জায়গা খুঁজে পেলাম। বাড়িতে গেলেই সেখানে আমার যাওয়ার পরে। গেলে পুরো মনটা আমার শান্ত হয়ে যায় !
ভাবতেও পারিনি এত সুন্দর লাগবে জায়গাটা। এত শান্ত পরিবেশ থাকবে সেখানে। আবার তার পশে কিন্তু হাইওয়ে। মানে একটু সামনেই মাইন্ রাস্তা। কিন্তু তেমন কোনো গাড়ি ঘুরে চলা চল করে না , মানে এটা জ্যাম নেই সেখানে। তাই সেখানে তেমন কোনো হট্ট গোল হয় না !
নদীর কিনারায় দেখি অনেক গুলো নৌকা বাধা ছিল। একবার ভেবেছিলাম নৌকায় উঠি। কিন্তু কেন জানি সাহস হলো না। কারণ এত বড় নদীর ভিতরে যদি কিছু হয়ে যায় ! আর আমি সাঁতার ও জানিনা ! কিন্তু মনে হয়েছিল যদি ঘুরতাম তাহলে অনেক ভালো লাগতো !
এখন মাঝে মাঝে যাই ঢাকার হাতিরঝিলে। কিন্তু তেমন কোনো সন্ত পরিবেশ পাইনা। এত গাড়ি ঘুরার মাঝে শান্ত পরিবেশ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। কিন্তু তাও অনেক ভালো এই গেঞ্জাম পরিবেশে থাকার চেয়ে। কিন্তু এখন এই মহামারীর মাঝে বেশির ভাগ মানুষ ঘরের মাঝে বন্ধি থাকে। আর তার কারণেই এখন হাতিরঝিলটা একটু শান্ত থাকে। এখন মাঝে মাঝেই যাই বন্ধুর সাথে। মনটাকে শান্ত করার একমাত্র পন্তাই এটা।