সামাজিক দায়িত্ব
আমরা যে সমাজে বাস করি সেই সমাজটা আমাদের। তেমনি সমাজের সব দায়িত্ব গুলো আমাদেরকেই পালন করতে হবে। কিন্তু কোনো না কোনো ভাবে আমাদের মধ্যে বেশির ভাগ মানুষ তাদের সেই দায়িত্বকে অবহেলা করছি । আসলে এটা ঠিক না এতে করে আমাদের সমাজের সাথে সাথে নিজের ও ক্ষতি হচ্ছে। কিন্তু সেটা হয়তোবা আমাদের চোখে পরে না। আমাদের কারণে এই পৃথিবী দিন দিন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে।
এর কারণ হলো আমাদের সমাজ নানা ভাবে দূষিত হচ্ছে। আমরা কোনো ভাবেই সেই সমাজকে রক্ষা করছিনা। এছাড়াও সেই রিপোর্ট এ বলা ছিল আমাদের পৃথিবীর ওজন স্তর ও দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আর ওজন স্তর এর কারণে আমাদের পৃথিবীতে অতি ক্ষতিকর বেগুনি রশ্মি প্রবেশ করছি। সেই বেগুনি রশ্নি আমাদের দেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। আর ওজন স্তর নষ্ট হওয়ার কারণ কার্বন ডাই অক্সাইড।
আমাদের দেশে বর্তমানে অনেক জনসংখ্যা হওয়ার কারণে তাদের বসত বাড়ি স্থাপন এর জন্য গাছ পালা কেটে ফেলা হচ্ছে। আমাদের দেশে জনসংখ্যার ঘনত্ব দিন দিন বেড়েই চলেছে। আবার অনেকেই আছে যারা গাছ পালা কেটে কাঠ দিয়ে নানা ধরনের আসবাবপত্র তৈরী করে আর সেই আসবাবপত্রই আমরা ব্যবহার করি। মূল কারণ আমাদের দেশের জনসংখ্যাই। আমাদের দেশের জনসংখ্যার ঘনত্ত প্রায় ১০১৫ জন প্রতি কিলোমিটারে। জনসংখ্যার ঘনত্বটা আগের থেকে প্রায় ২ গুন বেড়ে গেছে । আর তাদের চাহিদা মেটাতেই গাছ পালা কেটে ফেলা হচ্ছে।
আমাদের দেশে তুলনা মূলক ভাবে আগের থেকে অনেক বেশি গাছ কাটা হচ্ছে। কিন্তু সেই হারে গাছে রোপন করে প্রায় হচ্ছেই না। গাছ শুধু আমাদের অক্সিজেনই না সব রকম দুর্যোগ থেকেও বাঁচায়। কিন্তু আমরা সেই গাছ গুলো কেটে ফেলছি। আসলে এটা ঠিক না। যেহেতু গাছ আমাদের নানা রকম উপকারে আসছে তাই নিজের কথা চিন্তা করেও আমাদের বৃক্ষ রোপন করা উচিত।
গাছ যেহেতু আমাদের কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে তাই সেই গাছের পরিমান করে যাওয়াতে আমাদের প্রথিবীতে কার্বন ডাই অক্সাইড এর পরিমান বেড়ে গেছে। এতে করে বরফ গলে সব পানি সমুদ্রে গিয়ে মিশছে। এবং অনেক নিচু অঞ্চল গুলো প্লাবিত হয়ে যাচ্ছে। এতে করে সাভাবিক জীবন যাপনে বিরূপ প্রতিকৃয়া পড়ছে।
আমাদের উচিত আমাদের সব স্থাপনা গুলো শহর অঞ্চল থেকে দূরে স্থাপন করা। যেমন মাঝে মাঝে আমাদের বাসস্থান এর আসে পাশেই ইটের ভাটা বা এমন সব স্থাপনা যে গুলোর কারণে আমাদের বায়ু দূষণ হয়। সেই সব স্থাপনা গুলোও বসতবাড়ির আসে পাশে স্থাপন করতে দেখা যায়। যেটা আসে পাশের মানুষ দের জন্য মরণঘাতী।
সমাজটাতো আমাদেরই , আর এর খেয়াল তো আমাদের এ রাখতে হবে। একটা কষ্ট হবে বলে আলসেমি করে বসে থাকা যাবে না। আর না হয় পরবর্তী প্রজন্মে তাদেরকে অনেক লড়াই করে বেঁচে থাকতে হবে। তাই আমাদের উচিত আমাদের সব দায়িত্ব গুলোকে আপন মনে পালন করা। যাতে পরবর্তী সময়ে আমাদের আর ভুগতে না হয় !
Image source :- PIXABY